কেউ কেউ বলছেন, শীঘ্রই পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কারণ, কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কলকাতায় উদ্বোধন করেছেন তিনটি নতুন মেট্রো লাইন—শিয়ালদহ–এসপ্ল্যানেড, নোয়াপাড়া–বিমানবন্দর এবং নিউ গড়িয়া–রুবি। আশা করা হচ্ছে, এই রুটগুলো চালু হলে ধীরে ধীরে যাত্রী চাপ ভাগ হয়ে যাবে।

Kolkata Metro outage
শেষ আপডেট: 3 September 2025 18:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সময় বাঁচাতে, গতি পেতে কলকাতার মানুষের ভরসা পাতাল রেল। শহরের লাইফলাইন বলা হয় যাকে। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে এই মেট্রোই হয়ে উঠছে হাজারও অভিযোগের কেন্দ্র।
সকাল–সন্ধের ব্যস্ত সময়ে ব্লু লাইন মেট্রোয় যাত্রীদের হাঁসফাঁস অবস্থা। ঠাসাঠাসি ভিড়ের কারণে একাধিক ট্রেন ছেড়ে দিয়েও অনেককে উঠতে পারছেন না। ফলে নির্ধারিত সময়ে অফিসে পৌঁছনোই দুঃসাধ্য। মহিলা যাত্রীরা আরও খোলসা করে বলছেন—“যে মেট্রো একসময় স্বস্তিদায়ক ছিল, আজ তা দুঃস্বপ্ন।”
যাত্রীদের এহেন অভিযোগ চাক্ষুষ করতে দ্য ওয়াল সরাসরি পৌঁছে গিয়েছিল একাধিক মেট্রো স্টেশনে। সেখানেই মিলল মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশ যাত্রীদের মতে, এই দুর্ভোগ প্রতিদিনের। একে নিত্যযাত্রীরা আর সহ্য করতে পারছেন না।
অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন, শীঘ্রই পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কারণ, কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কলকাতায় উদ্বোধন করেছেন তিনটি নতুন মেট্রো লাইন—শিয়ালদহ–এসপ্ল্যানেড, নোয়াপাড়া–বিমানবন্দর এবং নিউ গড়িয়া–রুবি। আশা করা হচ্ছে, এই রুটগুলো চালু হলে ধীরে ধীরে যাত্রী চাপ ভাগ হয়ে যাবে।
তবে শুধু ভিড় নয়, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে পরিকাঠামোগত সমস্যা। মাঝেমধ্যেই যান্ত্রিক ত্রুটি বা লাইনে জল জমে পরিষেবা ঘণ্টার পর ঘণ্টা থমকে যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই কি তবে কলকাতা মেট্রোর ভবিষ্যৎ? যদিও মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রী স্বার্থে সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রতিদিনের দুর্ভোগ যাত্রীদের মুখে অন্য কথাই শোনাচ্ছে।
কলকাতার লোকাল ট্রেন, বাস, ট্রামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মেট্রোয় শহরের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরিবহণ। এখন সেই ভরসার জায়গায় জমছে ক্ষোভ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গর্বের লাইফলাইন এখন হয়ে উঠছে ‘স্ট্রেসলাইন’।