
শেষ আপডেট: 13 September 2022 05:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্ত্রী (wife) সবসময়ই চাইতেন, স্বামী পদস্থ অফিসার হন। তাঁর উৎসাহেই পদোন্নতি হয়ে কনস্টেবল থেকে হয়েছিলেন এএসআই। কিন্তু সেই সুখবর পাওয়ার জন্য বেঁচে ছিলেন না (death) স্ত্রী। সে কথা ভেবেই ক্রমশ অবসাদে (depression) ভুগছিলেন স্বামী। পদোন্নতি (promotion) পাওয়ার পরেও তাই সুখ ভোগ করা হল না এএসআই (ASI) আশিস তরফদারের। মালগাড়ি সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী (suicide) হলেন আশিসবাবু।
জানা গেছে, রবিবার রাত ১টা নাগাদ চাকদহ-পায়রাডাঙার মাঝে শিয়ালদহগামী মালগাড়ি সামনে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সূত্রের খবর, ৯ বছর আগেই আশিসবাবুর স্ত্রী প্রয়াত হন। তিনি সবসময়ই চাইতেন, স্বামীর পদোন্নতি হোক। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগতেন আশিসবাবু। কিন্তু প্রয়াত স্ত্রীর ইচ্ছেকে সম্মান দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন বিধাননগর কমিশনারেটের কনস্টেবল আশিসবাবু। অবশেষে যখন প্রমোশন পেলেন, তখন আর খুশি হতে পারেননি তিনি।
আশিসবাবুর সহকর্মীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি নিউটাউন থানায় পোস্টিং হয়েছিল তাঁর। কিন্তু মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় কাজে যাওয়া বন্ধ করে দেন তিনি। বিধ্বস্ত অবস্থায় এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতেন এএসআই আশিস তরফদার। তারপরেই এমন দুর্ঘটনা।
পারিবারিক সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রথম জ্যোতির পর আরো বেশি ভেঙে পড়েছিলেন আশিস তরফদার। হয়তো তাঁর মনে হচ্ছিল, এই খবরে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন যিনি, তিনিই তো সেই সুসংবাদ পেলেন না। সেই ভাবনা থেকেই তিনি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তাঁর তার মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আপাতত ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
টিউশনি পড়তে গিয়ে ৫ দিন ধরে নিখোঁজ মালদার ছাত্র, অপহরণ নয় তো? আতঙ্কে পরিবার