
কিঞ্জল নন্দ।
শেষ আপডেট: 5 December 2024 16:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের বিতর্কের মুখে আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ চিকিৎসক-অভিনেতা কিঞ্জল নন্দ।
অভিযোগ, আন্দোলনকে সামনে রেখে আদতে নিজের ছবির কাজই করে গেছেন তিনি। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশে রীতিমতো তোপের মুখে পড়েছেন তিনি।
আর এক দল অবশ্য মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কিঞ্জল পেশাগত ভাবেই অভিনেতা। আন্দোলনের আগেও একাধিক সিনেমা-সিরিজে কাজ করছেন, পরেও করছেন। এই নিয়ে এমন গেল-গেল রব তোলার কিছু নেই।
তবে গেল-গেল রব উঠেছে বইকি। তাই নেটিজেনদের যোগ্য জবাব দিতে অতীতের মতোই ফের সোশ্যাল মাধ্যমে ব্যাট ধরেছেন কিঞ্জলের সহধর্মিনী-চিকিৎসক নম্রতা নন্দও। পাল্টা হিসেবে ধেয়ে আসছে বাছা বাছা প্রশ্নও। উঠছে তাঁর বাবার বিরুদ্ধে থাকা পুরোনো অভিযোগের কথাও।
সমস্যার শুরু, কিঞ্জল একটি সিনেমার পোস্টার পোস্ট করতেই। সেটি ঘিরে সোশ্যাল মাধ্যমে রীতিমতো পোস্ট-যুদ্ধ বেঁধে গিয়েছে। আগামী বছরের মে মাসে মুক্তি পাচ্ছে কিঞ্জল অভিনীত ছবি দেবী চৌধুরানী। নিজের সোশ্যাল মাধ্যমে বুধবার ওই ছবির পোস্টার শেয়ার করেন চিকিঃসক-অভিনেতা। এরপরই তাঁকে খোঁচা দিয়ে জানতে চাওয়া হয়, 'শুটিংগুলো কবে হল দ্রোহের বাজারে?'
জবাবে কিঞ্জলের হয়ে সোশ্যাল মাধ্যমে পাল্টা সওয়াল করেছেন তাঁর স্ত্রী নম্রতা। কিঞ্জলকে নিয়ে ওই কেউ কেফ পিএইচডি করছেন বলে কটাক্ষ করে নম্রতা পোস্টে লেখেন, 'কিঞ্জল কিন্তু নিজের পিআর করার জন্য আলাদা করে কোনও টাকা পয়সা দেননি!'
প্রসঙ্গত, একটি নারী নির্যাতনের মামলায় নাম জড়িয়েছে কিঞ্জলের শ্বশুরমশাই তথা নম্রতার বাবার। সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বৈরথে সেই প্রসঙ্গও টেনে আনা হয়েছে।
তবে সোশ্যাল মিডিয়ার এই বাগযুদ্ধ দেখে অনেকেই বলছেন, সিনেমায় কাজ করা নিয়ে কিঞ্জল নন্দকে এমন আক্রমণ অর্থহীন। কারণ অভিনয়টা তাঁর পেশা। আজকের নয়, বহু বছরেরই। আরজি কর আন্দোলনের অনেক আগে থেকেই অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত কিঞ্জল। আর এমনও নয়, যে আসন্ন সিনেমাগুলির শ্যুটিং সম্প্রতি হয়েছে। ফলে কারও পেশা নিয়ে কাটাছেঁড়া করা অর্থহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।
এসব বিতর্কের মধ্যে বৃহস্পতিবার ‘আপিস’ নামের আরও একটি সিনেমার পোস্টার পোস্ট করেন কিঞ্জল। ক্যাপশনে লেখেন, 'গুড নিউজ'। ছবিটি দেখানো হবে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে। কিঞ্জলের পোস্টের পরেই ফের কিঞ্জলকে 'পার্ট টাইম ডাক্তারবাবু আর ফুল টাইম অ্যাক্টরবাবু' আখ্যা দিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়।
পাল্টা পোস্টে কিঞ্জলের সংক্ষিপ্ত অভিযোগ, সাধারণ মানুষ যেমন অনেক সময় না জেনেই অনেক কথা বলেন, এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।