দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার খুলল কেদারনাথ মন্দিরের দরজা। অন্যান্য বছরত এদিন থেকেই তীর্থযাত্রীদের ভিড় হয়। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে আসেননি কেউ। ফলে ফাঁকাই রয়েছে মন্দির ও তার আশপাশের এলাকা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সারা দেশে ধর্মীয় বা অন্য কোনও জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
রাত তিনটে থেকে মন্দিরের গেট খোলার প্রস্তুতি শুরু হয়। সকাল ছ'টা বেজে ১০ মিনিট নাগাদ মন্দিরের দরজা খোলে। তখন মাত্র ২০ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মন্দিরের পুরোহিত ও কয়েকজন কর্মকর্তা। সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী।
মন্দির সাজাতে রোজ ১০ কুইন্টাল ফুল ব্যবহৃত হয়। দেবতার উদ্দেশে প্রথম যে প্রার্থনা হয়, তাকে বলে রুদ্রাভিষেক। এদিন প্রথম প্রার্থনা করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফে।
কেদারনাথ হিন্দুদের পবিত্র চারধামের অন্যতম তীর্থ। অপর তিনটি ধাম হল বদ্রিনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী। প্রতিবছর হাজার হাজার তীর্থযাত্রী চারধাম যাত্রা করেন। কেদারনাথ সাধারণত এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত খোলা থাকে।
ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩১ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। এক রাতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৫৮ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী ২৯ এপ্রিল, বুধবার, সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৩১৩৩২। ভারতে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাও হাজার ছাড়িয়ে গেল। এই মুহূর্তে দেশে ১০০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ এক রাতে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এক রাতে সুস্থও হয়ে উঠেছেন ৬৬৯ জন। এই মুহূর্তে দেশে ৭৬৯৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অর্থাৎ এই মুহূর্তে ভারতে কোভিড অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২২৬২৯।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের এই পরিসংখ্যান ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের তরফে পাঠানো পরিসংখ্যান খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
এই বুলেটিন অনুযায়ী এখনও আক্রান্তের সংখ্যায় শীর্ষে মহারাষ্ট্র। এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩১৮। তারপরে রয়েছে গুজরাত। পশ্চিমের এই রাজ্যে ৩৭৪৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন কোভিড ১৯-এ। দিল্লিতে ৩৩১৪ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
মৃত্যুর সংখ্যাতেও সবথেকে উপরে মহারাষ্ট্র। এই রাজ্যে কোভিড ১৯-এ ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুজরাতে মারা গিয়েছেন ১৮১ জন। মধ্যপ্রদেশে ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।