
শেষ আপডেট: 12 January 2024 15:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: দুঃস্থ পরিবারের গর্ভবতী মহিলা ও শিশুরা অঙ্গনওয়াড়ির খাবারের উপর নির্ভরশীল। অনেক সময় পুষ্টির গুণমান নিয়ে ক্ষোভ ফেটে পড়তে দেখা যায় গ্রামবাসীদের। কিন্তু এবার বঞ্চনার অভিযোগ আনলেন অঙ্গনওয়াড়ির দিদিমণিরা।
অগস্ট মাস থেকে ডিম-সবজি কেনার টাকা পাচ্ছেন না কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের ২৮৭ টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকারা। নিজেদের গাঁটের কড়ি খরচ করে কোনওরকমে পরিষেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ। বকেয়া টাকা না পেলে ডিম-সবজি দেওয়া বন্ধ করে দেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন।
এক শিক্ষিক ব্রততী সিনহা বলেন, ''ডিমের দাম ৮ টাকা হয়ে গেছে। অথচ গত চার মাস ধরে অঙ্গনওয়াড়ির ডিম, সবজি কেনার টাকা পাচ্ছি না। আমরা যে সাম্মনিক পাই, তাও ঠিক সময়ে দেওয়া হয় না। এভাবে অঙ্গনওয়াড়ির পরিষেবা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।''
পূর্ব বর্ধমান জেলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সংগঠনের নেত্রী রীতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ''পরিষেবা সচল রাখতে কয়েকজন দিদিমণি গহনা বন্ধক রেখে খাবারের জোগান দিয়ে গেছেন। কিন্তু এখনও তাঁদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। সুপারভাইজার সমস্ত কথা জেনেও উপভোক্তাদের উস্কে যাচ্ছেন।''
সুপারভাইজার ললিতা দাস বলেন, ''সমস্যার কথা জানি। সরকারের কোনও বরাদ্দ এই মুহূর্তে আসেনি। তাই আমাদেরও কিছু করার নেই।''
শিশুকেন্দ্র দফতর ও দিদিমণিদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে ২৮৭ টি অঙ্গনওয়াড়ির পরিষেবা চালিয়ে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অঙ্গনওয়াড়িগুলি থেকে খাবার না পেলে প্রায় ২৮২৭ শিশু সহ ২৯৭৫ জন মা সুষম আহার থেকে বঞ্চিত হবেন।