
শেষ আপডেট: 22 July 2019 06:17
দু’সপ্তাহ আগে কংগ্রেসের ১৩ জন ও জেডিএসের তিন জন বিধায়ক ইস্তফা দেওয়ার ফলে কর্ণাটকে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়। গত রবিবার দুই নির্দল বিধায়ক সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন, সোমবার বেলা পাঁচটার মধ্যে যেন আস্থাভোট নেওয়া হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সোমবার ওই আর্জি শুনতে রাজি হয়নি। মঙ্গলবার এসম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হবে।
এদিন সকাল ন’টা বেজে ৪০ মিনিট নাগাদ বেঙ্গালুরুর কাছে রামাদা হোটেল থেকে বেরিয়ে বিজেপি বিধায়করা বিধান সৌধের দিকে রওনা হন। পাছে শাসক জোট তাঁদের লোভ দেখিয়ে দলে টানার চেষ্টা করে, সেজন্য বিজেপি বিধায়কদের শহর থেকে কিছু দূরে হোটেলে রেখেছিল।
১০ টা বেজে ১০ মিনিটে বিধান সৌধের চারপাশে নিরাপত্তা আরও আঁটোসাটো করা হয়। ১০ টা বেজে ২৪ মিনিটে কংগ্রেস এমপি বি কে হরিপ্রসাদ রাজ্যসভায় বলেন, কর্ণাটকে সাংবিধানিক সংকট দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংসদের উচ্চকক্ষে আলোচনা হওয়া উচিত।
১০ টা বেজে ৩১ মিনিটে কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা অন্যান্য বিজেপি এমএলএ-কে নিয়ে বিধান সৌধে প্রবেশ করেন।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী ফের বিদ্রোহী বিধায়কদের প্রতি আবেদন জানান, আপনারা আমাদের পক্ষে ফিরে আসুন। বিজেপির ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দিন। অন্যদিকে মুম্বইয়ের হোটেল থেকে বিদ্রোহীরা জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা আস্থাভোটের সময় বিধানসভায় হাজির হচ্ছেন না। ইয়েদুরাপ্পা বলেন, আমি নিশ্চিত, আজই কুমারস্বামী সরকারের শেষ দিন।
এর মধ্যে বিএসপি নেত্রী মায়াবতী কর্ণাটকে তাঁর একমাত্র বিধায়ককে নির্দেশ দিয়েছেন, কুমারস্বামী সরকারকে সমর্থন করুন। তাতে অবশ্য শাসক জোটের সুবিধা হবে সামান্যই। রবিবার কুমারস্বামী বলেছেন, তিনি ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে চান না। তাঁর কথায়, আমার একমাত্র উদ্দেশ্য, বিধানসভায় বিতর্কের মাধ্যমে সারা দেশকে বোঝানো, কীভাবে বিজেপি গণতন্ত্র তথা সরকারকে ধ্বংস করতে চায়। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, শাসক জোটের বিধায়করা দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়ে আস্থাভোটে দেরি করিয়ে দিচ্ছেন।