
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 16 April 2025 20:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুরী (Puri) ঘুরতে গিয়ে খাজা নিয়ে আসেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পুরীর মন্দিরের মহাপ্রসাদ বলা হয় খাজাকে।
পুরীর আদলে আগামী ৩০ এপ্রিল পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় (Digha) উদ্বোধন হতে চলেছে জগন্নাথের মন্দির। তবে খাজা নয়, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে পাওয়া যাবে কালীঘাটের বিখ্যাত প্যাঁড়া এবং বাংলার অন্যতম মিষ্টি গজা।
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এদিন নবান্নে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানেই একথা জানান তিনি। কেন খাজার পরিবর্তে প্যাঁড়া, গজা বিক্রি করা হবে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রীর এক প্রশ্নের উত্তরে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সেবাইত রাজেশ দ্বৈতপতি জানান, জগন্নাথের ভোগের পর আগে দক্ষিণাকালীকে সমর্পণ হয়, তারপরে মহাপ্রসাদ হয়।
এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমাদের বাংলায় রীতি অনুযায়ী কালীঘাটের প্যাঁড়া আমরা দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে দেব। পুরীর খাজা যেরকম শুকনো মিষ্টি বলে মানুষ এখানে ওখানে প্রিয়জনদের জন্য নিয়ে যেতে পারেন, আমরা সেরকম প্যাঁড়ার সঙ্গে বাংলার শুকনো মিষ্টি হিসেবে গজা রাখব। যাতে এই শুকনো মিষ্টি মানুষ নিয়ে যেতে পারেন।"
আগামী দিনে অনলাইনে পুজোর ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আগে সিস্টেমগুলো শুরু হোক, তারপরে কোথায় কী ফাঁকফোকর থাকছে সেটা ধরা পড়বে, তখন বাদ বাকিটা করা যাবে।"
পুরীর মন্দিরের সামনে দেখা মেলে ধ্বজার স্টল। অনেকে জগন্নাথদেবকে ধ্বজাও দেন। একইভাবে পুরীর কারিগরদের এনে দিঘাতেও জগন্নাথদেবের জন্য ধ্বজার স্টল তৈরি করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।