কসবা কাণ্ডের আঁচ মুছতে না মুছতেই ফের এই ঘটনা, তাও আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবাসনে—বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই জনমনে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

নির্যাতিতার বাবা।
শেষ আপডেট: 13 July 2025 22:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জোকার ম্যানেজমেন্ট কলেজের (Joka IIM) হস্টেলে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল শহর। কিন্তু ওই ঘটনায় ধোঁয়াশা তৈরি করেছে নির্যাতিতার বাবার বয়ান (Victim's Father's Statement)। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর মেয়ের উপর কোনও যৌন নিগ্রহ হয়নি, বরং অটো থেকে পড়ে গিয়েই মেয়ের চোট লাগে। তবে এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবিকে মান্যতা দেওয়া হয়নি।
লালবাজার সূত্রে খবর, নির্যাতিতা নিজেও তদন্তে সহায়তা করছেন না। এমনকি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য তাঁর পোশাকও দিতে অস্বীকার করেছেন তিনি। এই অবস্থায় চাপে পড়েছে তদন্তকারীরা। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)-এর এক সদস্য জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি ঘিরে নানা অসঙ্গতি থাকায় সতর্কতা ও সাবধানতার সঙ্গে তদন্ত এগোচ্ছে।
শুক্রবার রাতেই ওই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে সে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাকে জেরা করে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ জানতে চাওয়া হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ঘটনার নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে।
কলকাতা পুলিশের তরফে গঠিত SIT-এ রয়েছেন এক জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার এবং একাধিক মহিলা আধিকারিক। ইতিমধ্যেই তদন্তকারীরা কলেজের নিরাপত্তারক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁদের বয়ান রেকর্ড করেছেন। শনিবার কলেজের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হয়েছে।
সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই SIT-এর একটি দল নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে তাঁর এবং তাঁর বাবার সঙ্গে বিস্তারিতভাবে কথা বলবে। প্রয়োজনে নির্যাতিতা ও তাঁর বাবাকে মুখোমুখি বসিয়েও এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হতে পারে বলে খবর।
কসবা কাণ্ডের আঁচ মুছতে না মুছতেই ফের এই ঘটনা, তাও আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবাসনে—বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই জনমনে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে নির্যাতিতার বাবার বয়ান ঘিরে অসঙ্গতি ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।