
শেষ আপডেট: 2 March 2023 13:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৮ সালের ভোটে আগরতলার বনমালীপুর কেন্দ্রে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন বিপ্লব দেব। সেই বিপ্লবকে ভোটের ন’মাস আগে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি থেকে সরিয়ে দিয়েছিল দিল্লি বিজেপি। তারপর দেখা দেখা গেল তাঁর বনমালীপুর ২০১৮ সালে বিজেপির হলেও এবারের ভোটে আর গেরুয়া শিবিরের হাতে রইল না (Tripura Assembly)।
বিপ্লবের কেন্দ্রে এবার বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বিন্দ্বিতা করেছিলেন রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা হেরে বসলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর আসনে।
শুধু তাই নয়। চড়িলাম কেন্দ্রে পরাস্ত হয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা। বনমালীপুর এবং চড়িলাম—দুই কেন্দ্রেই দুই বড় নেতাকে হারিয়ে জয় পেয়েছে কংগ্রেস। ঘটনা হল, বিপ্লবকে আগেই সরিয়ে দিয়েছিলেন অমিত শাহরা। এবার হেরে গেলেন জিষ্ণুও। অর্থাৎ প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রী—পুরো সেটটাই কার্যত উবে গেল বিধানসভা থেকে।
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, বনমালীপুরে রাজীব ভট্টাচার্যের হার বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা তো বটেই সেইসঙ্গে বিপ্লব দেবের জন্যও লজ্জার। বিজেপির কেউ কেউ অবশ্য এও বলছেন, সবটা আঁচ করেই হয়তো ন’মাস আগে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বদল করেছিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
ত্রিপুরা বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যের হারকে আরও একটি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যেতে পারে। তা হল, এবারের ভোটে কংগ্রেস, বিজেপি ও সিপিএমের তিন রাজ্য সভাপতি ও সম্পাদক লড়াই করেছিলেন। দেখা গিয়েছে কৈলাশহরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজিত সিনহা জয়ী হয়েছেন। অল্প ব্যবধানে হলেও দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। কিন্তু বনমালীপুরে হেরে গিয়েছেন রাজীব।
‘মোদী তেরা কমল খিলেগা,’ মিলে গেল প্রধানমন্ত্রীর কথা, উত্তর-পূর্ব বিজেপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন