
শেষ আপডেট: 31 January 2024 17:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম: ১০০ দিনের কাজের টাকায় খনন করা পুকুর দিনের আলোয় ভরাট করার অভিযোগ উঠল জমি কারবারিদের বিরুদ্ধে। বাসিন্দারা জানান, সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে অনুমতি নিয়ে পুকুর ভরাটের কাজ চলছিল। এই পুকুরটি এলাকার মানুষের কাজে ব্যবহৃত হয়। যে পুকুর রাজ্য সরকারের ১০০ দিনের কাজের আওতায় খনন করা হয়েছিল। এখন স্থানীয় প্রশাসনের মদতে সেই পুকুরই ভরাট করে দখলদারি করার চেষ্টা চলছে।
গ্রামবাসীরা জানান, বারবার ভূমি দফতর ও জেলাশাসকের দফতরে জানানো হলেও কোন সুরাহা হচ্ছিল না। শেষমেষ বুধবার এলাকাবাসীই ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ আটকানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ভূমি দফতরের এডিএম (এলআরও) হীরক মণ্ডল ঘটনাস্থলে পৌঁছন। পুকুর ভরাট করার কাজ বন্ধ করেন। পুকুর ভরাট করতে যে সমস্ত ট্রাক্টর, জেসিবি ব্যবহৃত হচ্ছিল সেগুলোকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে যিনি এই কাজ করছিলেন তাকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। অবৈধভাবে যে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছিল, তা স্বীকারও করে নেন।
বারবার বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, ঝাড়গ্রাম জেলার জমি মাফিয়ারা নিচুস্তরের প্রশাসনিক আধিকারিকদের কব্জা করে জলাভূমি ভরাট করে জমি বিক্রি করছে। বারবার জানানো হলেও কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই জেলার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের। এই নিয়েই ক্ষোভ উগরে দিলেন ঝাড়গ্রামের জেলা বিজেপির সভাপতি তুফান মাহাতো। তিনি বলেন, “ঝাড়গ্রাম জেলাজুড়ে যেভাবে জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম বাড়ছে তা কবে শেষ হবে সেটাই দেখার।” তবে চন্দ্রি গ্রামে এদিন পুকুর বোজানোর কাজ বন্ধ হওয়ায় খুশি এলাকার মানুষ।