
চেক নিচ্ছেন পুজো উদ্যোক্তারা
শেষ আপডেট: 20 September 2024 11:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদের জেরে এবার অনেক দুর্গাপুজো কমিটি সরকারের দেওয়া অনুদানের টাকা নিতে চায়নি। তা নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই বিষয়ে জানিয়েছিলেন, যারা নিতে চাইছে না ঠিক আছে, কিন্তু বাকি কমিটিগুলিকে টাকা দেওয়া শুরু হবে। সেই কাজই শুরু হল জলপাইগুড়িতে। রাজ্যে প্রথম জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ এই আর্থিক অনুদান দেওয়া শুরু করেছে।
দুর্গাপুজোর আর মাত্র কটা দিন বাকি। তার আগে ইতিমধ্যে চেক বিলি শুরু করে দিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার প্রায় পুজো কমিটি গুলির হাতে ৮৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। পুজোর আগেই বড় অ্যামাউন্টের চেক হাতে পেয়ে খুশি সেই উদ্যোক্তারা। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় আইসি'র উপস্থিতিতে ২৩০টি পুজো কমিটির হাতে চেক প্রদান করা হয়েছে। এরপর বাকি এলাকাতেও অনুদানের চেক দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ৮১৫টি পুজো কমিটি টাকা পেয়েছে।
অভিজিৎ সরকার নামে এক ক্লাবের কর্তা জানিয়েছেন, অন্যান্যবার এই চেক সাধারণত পুজোর মুখে দেওয়া হয়। কিন্তু এবার এত আগে এই টাকা পাওয়ার জন্য পুজো করতে অনেকটাই সুবিধা হবে। এদিকে, পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহালে বলেন, একযোগে জেলার সমস্ত থানা থেকে চেক বিলি শুরু হয়েছে। জেলার মোট ৮১৫টি পুজো কমিটিকে মোট ৭ কোটি টাকার বেশি দেওয়া হয়েছে।
তিনি এও জানান, এবার অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছিল। অনেক আগে থেকে প্রক্রিয়া শুরু করায় কমিটি গুলির হাতে এত তাড়াতাড়ি চেক তুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। রাজ্যে প্রথম জলপাইগুড়িতেই এই চেক বিলি শুরু করেছে পুলিশ।
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পড়ুয়া চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বহু পুজো কমিটি সরকারি অনুদান না নিতে চাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, যেসব পুজো কমিটি অনুদান প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের বাদ দিয়ে অন্য কোনও পুজো কিমিটিকে সেই অনুদান দেওয়া হবে। পাশাপাশি পুজোয় ৭৫ শতাংশ বিদ্যুতের ফি মুকুবের কথা মনে করিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, যেসব পুজো কমিটিগুলি সরকারের সামাজিক প্রকল্পের দিকগুলি বেশি করে তুলে ধরবে তাদের জন্যেও পরে ‘বিশেষ ছাড়’ দেওয়া হবে।