
শেষ আপডেট: 25 October 2023 14:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: পতিগৃহে যাত্রা করেছেন ঘরের মেয়ে উমা। সে খবর নিয়ে আগেই নীলকন্ঠ পাখি উড়ে গেছে। বিষাদের ছায়া এখনও ঘিরে রেখেছে প্রতিটা বাঙালিকে। উমার বিদায়ের দিনেই কিন্তু চন্দননগরবাসীর মনে আনন্দে মেতে ওঠার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল।
প্রতিবারই বিজয়া দশমীর দিন জগদ্ধাত্রী পুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে যায় চন্দননগরে। নিয়মরীতি মেনে দুর্গা পুজোর দশমীর দিন চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর কাঠামো পুজো হয়। বুধবার ভদ্রেশ্বর গৌরহাটি তেঁতুলতলার ২৩১তম বর্ষের কাঠামো পুজো হয়ে গেল নিয়ম মেনে। শুরু হল দেবী জগদ্ধাত্রীর মূর্তি গড়ার কাজ।
দুর্গাপুজোর এক মাস পরে হয় জগদ্ধাত্রী পুজো। তাই উমা কৈলাশে যাওয়ার দিন থেকেই অপেক্ষা শুরু হয় জগতের ধাত্রীর মর্তে আগমনের। চন্দননগরের উত্তরাঞ্চল বিবিরহাট জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির পুজোর এবার ৫৭ বছর। এখানে এক দিকে যখন নিরঞ্জনের আগে উমাকে বরণ করা হয়, অন্যদিকে হৈমন্তিকাকে আহ্বানের জন্য কাঠামো পুজো হয়। বিবিরহাট ব্যতিক্রম নয়, চন্দননগরের বেশিরভাগ পুজোকমিটিই বিজয়াদশমীর দিন জগদ্ধাত্রীর কাঠামো পুজো করে।
সারা বাংলা দুর্গাপুজোর আনন্দে মেতে উঠলেও, চন্দননগরে অন্য ছবি। একদা এই ফরাসি শহরের গৌরব তার জগদ্ধাত্রী পুজোয়। বিশালাকৃতি প্রতিমা আর আলোর রোশনাই চন্দননগরের অন্যতম বৈশিষ্ট। করোনার দু’বছর উৎসবে বাধ সাধলেও গত বছর থেকেই আবার হারানো ছবি ফিরে এসেছে। এবারও উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল দুর্গা বিসর্জনের দিন থেকেই।