Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল৪২-এ বেবি বাম্প নিয়েও ওয়েট লিফটিং! স্বামী বরুণের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে রোম্যান্স করিশ্মার

বসে বসে মাইনে পাচ্ছেন বহু তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, কমতে পারে কোম্পানির লাভের হার

দ্য ওয়াল ব্যুরো : করোনা অতিমহামারীর ফলে অনেক ক্লায়েন্ট অর্ডার বাতিল করেছেন। কেউ বা অর্ডার দিতে দেরি করছেন। ফলে ইনফোসিস, উইপ্রো বা টিসিএসের মতো সংস্থার অনেক কর্মীর হাতে কাজ নেই। প্রায় প্রতিটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাতেই এমন কাজ না থাকা কর্মীর সং

বসে বসে মাইনে পাচ্ছেন বহু তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, কমতে পারে কোম্পানির লাভের হার

শেষ আপডেট: 27 August 2020 06:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো : করোনা অতিমহামারীর ফলে অনেক ক্লায়েন্ট অর্ডার বাতিল করেছেন। কেউ বা অর্ডার দিতে দেরি করছেন। ফলে ইনফোসিস, উইপ্রো বা টিসিএসের মতো সংস্থার অনেক কর্মীর হাতে কাজ নেই। প্রায় প্রতিটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাতেই এমন কাজ না থাকা কর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প। কারণ কর্মীদের একটি অংশকে বসিয়ে বসিয়ে মাইনে দিতে গেলে কোম্পানির লাভের হার কমবে। এক বছর আগেও পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। সফটওয়ার পরিষেবা রফতানিকারী সংস্থাগুলিতে তখন প্রত্যেক কর্মীর হাতেই ছিল কাজ। কোম্পানিগুলি চেষ্টা করছিল যাতে কম লোক দিয়ে বেশি কাজ করানো যায়। কিন্তু করোনা অতিমহামারী বদলে দিয়েছে সব। চালু অনেক প্রকল্প বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। নতুন প্রকল্পের অর্ডার আসছে কম। তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি বলছে, যে কর্মীদের কাজ নেই, তাঁদের ভিন্ন ধরনের প্রকল্পে যুক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। সেজন্য তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এখন বড় সংখ্যক কর্মীর হাতে কাজ নেই। তাঁদের সকলকে ট্রেনিং দিয়ে ভিন্ন প্রকল্পে শামিল করা যাবে কিনা, তা নিয়ে পর্যবেক্ষকদের সন্দেহ আছে। উইপ্রোর মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমরা চেষ্টা করছি যাতে কারও চাকরি না যায়। সেজন্য কর্মীদের আলাদা প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা তাঁদের নানা প্রজেক্টে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি। ইনফোসিসের হিউম্যান রিসোর্স শাখার প্রধান কৃষ শংকর বলেন, বর্তমানে অনেক প্রকল্পের কাজ বাতিল করা হয়েছে। বহু প্রকল্প শেষ হতে দেরি হচ্ছে। নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়া পর্যন্ত অনেককে বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। তবে নতুন নতুন ব্যবসাও আসছে। কিন্তু অন্যান্য বছর আমরা যেভাবে কর্মীদের কাজে লাগাতে পারতাম, এবছর তা সম্ভব হচ্ছে না। এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ইনফোসিসের কর্মীদের 'ইউটিলাইজেশন রেট' ছিল ৮১.২ শতাংশ। তার আগের ত্রৈমাসিকে এই রেট ছিল ৮৩.৫ শতাংশ। ইনফোসিস জানিয়েছে, বিদেশে তাদের যে কর্মীরা রয়েছেন, তাঁদের অনেকের ভিসার মেয়াদ ফুরিয়েছে। তাঁরা আর কাজ করতে পারছেন না। তাঁদের কোম্পানি স্পেশাল অ্যালাওন্স দিচ্ছে। ইনফোসিসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট ভোট হতে আর বেশি দেরি নেই। এই পরিস্থিতিতে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশের গতি হয়ে পড়বে ধীর। কিন্তু পরে আবার গতি বাড়বে।

```