
শেষ আপডেট: 9 September 2019 18:30
চাঁদে যান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি[/caption]
ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরে তিন দিন কেটে গেছে। ইসরোর কন্ট্রোল রুমে মনিটরে চোখ রেখে এখনও অধীর অপেক্ষায় মহাকাশবিজ্ঞানীরা। অরবিটার যে কোনও মুহূর্তে সঙ্কেত পাঠাতে পারে, এমন আশাই করছে ইসরো। মঙ্গলবার ইসরোর তরফে টুইট করে জানানো হয়, বিক্রমের অবস্থান জানান চেষ্টা করছে অরবিটার। তার অপটিক্যাল ইমেজে সেটা ধরা দিলেই রেডিও যোগাযোগের চেষ্টা চলবে জোরকদমে। বিক্রমকে জাগিয়ে তোলার প্রচেষ্টা শুরু হবে।
https://twitter.com/isro/status/1171284893143224321
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ড করতে হলে কী কী অসুবিধা হতে পারে সেটা জানিয়েছেন ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির বিজ্ঞানীরা। বলা হয়েছে, চাঁদের মাটিতে যে ধুলোর স্তর রয়েছে তার সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য মেলেনি। তবে জানা গেছে, সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি বা অন্য কোনও মহাজাগতিক রশ্মি চাঁদের মাটিতে সরাসরি আছড়ে পড়ার সময় এই সূক্ষাতিসূক্ষ ধূলিকণাগুলিকে আঘাত করে। এই ধূলো সাধারণত অনু, পরমানু দিয়ে তৈরি। মহাজাগতির রশ্মির ধাক্কায় এগুলির মধ্যে বিদ্যুৎ তরঙ্গ তৈরি হয়। ফলে একটি বিরাট এলাকা জুড়ে ধুলোর ঝড় শুরু হয়। এর রেডিয়েশনের বাধা কাটিয়ে অবতরণ করা সহজ কাজ নয়।
[caption id="attachment_140645" align="aligncenter" width="600"]
বিপজ্জনক চাঁদের ধুলো (Lunar Dust)[/caption]
এই ধুলোর ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ফোর্স চন্দ্রযানের ল্যান্ডারের টার্মিনেটরকে বিকল করে দিতে পারে। সেই কারণেই হয়তো ল্যান্ড করার সময় ল্যান্ডার কোনও সঙ্কেত পাঠাতে পারেনি অরবিটারে। ইএসএ-র জ্যোতির্বিদ ইউজিন কারনানের কথায়, ‘‘চাঁদের ধুলো বা লুনার ডাস্টের সঙ্গে মোকাবিলা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। স্পেসক্রাফ্টের বাইরে তো বটেই, ভিতরেও হানা দেয় এই ধুলোর ঝড়। ফলে বেশি সময় টিকে থাকাই মুশকিল হয়।’’
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/news-isro-chandrayaan-2-astrophysicist-sandip-chakraborti-explains-how-isro-locate-lander-vikram/