
শেষ আপডেট: 17 July 2020 18:30
অক্সফোর্ডের ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিন তথা ChAdOx1 nCoV-19 ভ্যাকসিনের ডিজাইন করেছেন ভাইরোলজিস্ট সারা গিলবার্ট, অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড, টেরেসা লাম্বে, ডক্টর স্যান্ডি ডগলাস ও অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান হিল এবং জেন্নার ইনস্টিটিউটের গবেষকরা। শিম্পাঞ্জির শরীর থেকে নেওয়া কম সংক্রামক অ্যাডেনোভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট তৈরি হয়েছে। অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন ভারতে তৈরি করছে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া।
মানুষের শরীরে কোভিড ভ্যাকসিনের তিন স্তরের ট্রায়াল শেষ হয়েছে বলে ইতিমধ্যেই দাবি করেছে রাশিয়ার সেচেনভ ইউনিভার্সিটি। চিফ সায়েন্টিস্ট এলেনা বলেছেন, গত ১৫ জুলাই স্বেচ্ছাসেবকদের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। ভ্যাকসিনের প্রভাব ইতিবাচক। কারও শরীরে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় দেখা যায়নি বলে দাবি এলেনার। তিনি জানিয়ছেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে যাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল, তাঁদের প্রত্যেককেই আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এই ভ্যাকসিন তৈরিতে সেচেনভ ইউনিভার্সিটির সঙ্গে ছিল গ্যামেলিয়া ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার ফর এপিডেমোলজি। সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক স্বেচ্ছাসেবকদের ইন্টারমাস্কুলার ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। দুটি ডোজে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষক এলেনা।
ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচইয়ের মধ্যেই ব্রিটেনের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সেন্টারের গোয়েন্দারা অভিযোগ করেছেন রাশিয়ার হ্যাকাররা নাকি কোভিড ভ্যাকসিনের তথ্য চুরি করতে চাইছে। মার্কিন, ব্রিটিশ ও কানাডিয়ান গবেষণা সংস্থাকে নিশানা করেছে হ্যাকাররা। এই ব্যাপারে কোজি বিয়ার তথা এপিটি-১৯ হ্যাকার গ্রুপের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে। যদিও ব্রিটেনের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাশিয়া।