Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

জিনের গঠন বদলে নতুনত্ব আনছে করোনা, সংক্রামক হয়ে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে: অ্যান্থনি ফৌজি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিনের গঠন বদলে নতুনত্ব আনছে করোনাভাইরাস। এমনভাবে জিনের বিন্যাস বদলে ফেলছে যে তার মধ্যেকার অ্যামাইনো অ্যাসিডের সিকুয়েন্সই বদলে যাচ্ছে। ফলে ভাইরাস যখন মানুষের শরীরে বিভাজিত হচ্ছে তার প্রতিটি নতুন স্ট্রেনই হয়ে উঠছে আরও বেশি সং

জিনের গঠন বদলে নতুনত্ব আনছে করোনা, সংক্রামক হয়ে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে: অ্যান্থনি ফৌজি

শেষ আপডেট: 2 July 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিনের গঠন বদলে নতুনত্ব আনছে করোনাভাইরাস। এমনভাবে জিনের বিন্যাস বদলে ফেলছে যে তার মধ্যেকার অ্যামাইনো অ্যাসিডের সিকুয়েন্সই বদলে যাচ্ছে। ফলে ভাইরাস যখন মানুষের শরীরে বিভাজিত হচ্ছে তার প্রতিটি নতুন স্ট্রেনই হয়ে উঠছে আরও বেশি সংক্রামক। করোনার জিনের গঠন বদল বা জেনেটিক মিউটেশন নিয়ে নতুন রিপোর্ট দিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশিয়াস ডিজিজের ডিরেক্টর ও হোয়াইট হাউসের মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা অ্যান্থনি ফৌজি। জার্নাল অব আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজিত অনলাইন কনফারেন্সে করোনার জেনেটিক মিউটেশন নিয়ে এই নতুন তথ্য দেন ফৌজি। তাঁর বক্তব্য, সিঙ্গল মিউটেশন হচ্ছে জিনের গঠনে। অর্থাৎ জিন বা ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড)-এর যে সম্পূর্ণ বিন্যাস সেখানে একটা নির্দিষ্ট অ্যামাইনো অ্যাসিডের কোডে বদল হচ্ছে। সার্স-কভ-২ ভাইরাস এমনভাবে সেই অ্যামাইনো অ্যাসিডের কোড বদলে দিচ্ছে যাতে তার বিভাজন (Replication) আর দ্রুতগতিতে হয়। আর বিভাজনের ফলে তৈরি নতুন স্ট্রেন আরও বেশি সংক্রামক হয়ে ওঠে এবং অনেক বেশি সংখ্যক মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। কীভাবে হচ্ছে এই জিনের বদল? জিনের গঠন বদল বা বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলে জেনেটিক মিউটেশন (Genetic Mutation) এমন একটা প্রক্রিয়া যেখানে জিনের যে সাজসজ্জা বা বিন্যাস তাকেই বদলে দেওয়া হয়। সব জিনেরই একটা নির্দিষ্ট বিন্যাস থাকে। মিউটেশন মানে হল সব বদলে ফেলে আবার নতুন করে সাজিয়ে তোলা। এই বদলে ফেলার প্রক্রিয়া নানা রকম হয় এবং তার উপর ভিত্তি করে জেনেটিক মিউটেশনও নানা প্রকারের হয়। কোথাও ডিএনএ-র একটা বেস পেয়ার বদলে যায় যাকে মিসেন্স মিউটেশন বলে, এমন প্রক্রিয়াতেই আবার ননসেন্স মিউটেশন দেখা যায়। কোথাও আবার নতুন ডিএনএ যোগ হয়ে ইনসারশন হয়। [caption id="attachment_235944" align="aligncenter" width="650"] করোনার জিনোম ট্রেসিং[/caption] ফৌজি বলছেন, মনে করা হচ্ছে করোনার জিনের সিঙ্গল অ্যামাইনো অ্যাসিড কোড বদলাচ্ছে। জিনের একটা রিডিং ফ্রেম থাকে, তাতে তিনটে বেস থাকে। প্রতি বেসে একটি করে অ্যামাইনো অ্যাসিডের কোড থাকে। ফৌজি বলছেন, হতেই পারে এই অ্যামাইনো অ্যাসিডের কোড গুলো বদলে দিচ্ছে ভাইরাস। এতে তার লাভ হল, কোড বদলে গেলে সে আবার নতুন করে জিনের গঠন সাজিয়ে নিতে পারব। তার চেহারাও বদলে যাবে। হিউম্যান ট্রান্সমিশন বা এক মানুষের শরীর থেকে অন্য মানুষের শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে হলে এই বদলটা দরকার। কারণ, একজনের শরীরে অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি করার পরে ভাইরাল স্ট্রেন দুর্বল হতে থাকে। তাই জিনের গঠন বিন্যাস না বদলালে তার অন্য শরীরে ঢুকে নতুন করে প্রতিলিপি তৈরির ক্ষমতা থাকে না। এই বিষয়ে ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের ভাইরোলজিস্টরা বলছিলেন, একসঙ্গে ২০০ বার জিনের গঠন বদলাতে দেখা গেছে এই ভাইরাসকে। প্রতিটা বদলেই সে হয়ে উঠেছে আরও সংক্রামক। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বদলে যাওয়া ভাইরাল জিনোমগুলি যদি পরপর বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে তার তল খুঁজে পাওয়া যাবে না। একেবারে শুরুতে সে কেমন ছিল, তখন তার মতিগতিও বা কেমন ছিল, কিছুই বোঝা যাবে না। এই বদলের আরও একটা কারণ হল, মানুষের শরীরের নানা অঙ্গে সংক্রমণ ছড়ানো। ভাইরোলজিস্টরা বলেন, যে ভাইরাল স্ট্রেন ফুসফুসে ঢুকতে পারবে, সে চট করে লিভার বা হার্টের কোষে ঢুকতে পারবে না। শুরুতে তাই দেখা যাচ্ছিল সার্স-কভ-২ ভাইরাস ফুসফুসের সংক্রমণই বেশি ঘটাচ্ছে। ‘সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটারি সিন্ড্রোম’-এ আক্রান্ত হচ্ছে রোগী। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ফুসফুস শুধু নয়, লিভার, হার্ট, কিডনি, খাদ্যনালী এমনকি অন্ত্রেও করোনার সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। আর এটা সম্ভব হচ্ছে জিনের গঠন বদলের কারণে। নতুন ভাইরাল স্ট্রেন মানব শরীরের প্রায় সব অঙ্গেরই রিসেপটর প্রোটিন চিনে নিতে পারছে। কাজেই কোষে ঢোকার রাস্তাটাও সহজ হয়ে যাচ্ছে তার কাছে। হৃদপেশীতে ঢুকে পড়লে আচমকা হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে, আবার লিভার, পাকস্থলীতে বাসা বাঁধলে রোগের ধরনে বদল আসছে। কোথাও আবার রক্ত জমাট বাঁধতে দেখা যাচ্ছে। রোগীর শরীরেও নতুন নতুন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।

```