দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্ষমতার চূড়ান্ত হস্তান্তর এখনও হয়নি। মাস দুয়েক বাকি। খাতায় কলমে এখনও তিনিই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। গদি ছাড়ার আগে তাই ফের একবার ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সদ্য নির্বাচনে হেরেই বরখাস্ত করলেন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারকে।
সোমবার টুইট করে এসপারকে বরখাস্ত করার কথা নিজেই জানিয়েছেন ট্রাম্প। টুইটে তিনি লিখেছেন, মার্ক এসপারের সময় ফুরিয়েছে। বদলে প্রতিরক্ষা সচিবের দায়িত্ব পাচ্ছেন ন্যাশনাল কাউন্টার-টেররিজম সেন্টারের প্রধান ক্রিস্টোফার মিলার।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে ট্রাম্পের মন কষাকষির খবর আগেই সামনে এসেছিল। এমনও শোনা গিয়েছিল, এসপার নাকি নিজেই পদত্যাগের জন্য তৈরি হচ্ছেন। পেন্টাগনে গত চার বছর ধরে দায়িত্ব সামলেছেন মার্ক এসপার। এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিম জিম ম্যাটিসের সঙ্গেও ট্রাম্পের মতবিরোধ হয়। সে কারণে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। ট্রাম্প জমানায় মার্কিন প্রশাসনের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্তা হয় পদত্যাগ করেছেন, না হয় তাঁদের বরখাস্ত করা হয়েছে।
মার্কিন সন্ত্রাস দমন সংগঠনের প্রধান ক্রিস্টোফার মিলার। ৩১ বছর ছিলেন সেনাবাহিনীতে। ২০০১ সালে আফগানিস্তানে সন্ত্রাস দমনে এবং ২০০৩ সালে ইরাকে নিযুক্ত মার্কিন স্পেশাল ফোর্সে ছিলেন তিনি। ২০১৮-১৯ সালে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে ছিলেন মিলার।
ট্রাম্প প্রশাসন শুধু নয় ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের জয় এখনও মেনে নেয়নি রিপাবলিকান দল। সরকারিভাবে ভোটের ফল যা প্রকাশ করা হয়েছিল তাতে বাইডেন পেয়েছিলেন ২৭৯টি ইলেক্টোরাল ভোট, আর ট্রাম্প থমকে ছিলেন ২১৪টিতেই। ভোটের ফলাফল স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ টিম ট্রাম্প। জানা গিয়েছে, হোয়াইট হাউসে ভাবী প্রেসিডেন্ট ও তাঁর কর্মী সদস্যদের এন্ট্রি দিতে রাজি হচ্ছে না ট্রাম্প প্রশাসন। রবিবারও টুইট করে অভিযোগ জানিয়েছেন ট্রাম্প। দাবি, জোচ্চুরি করে তাঁকে হারানো হয়েছে। টুইটে ট্রাম্প লিখেছিলেন, যন্ত্রগুলিতে কারচুপি করা হয়েছে। এটা চুরির নির্বাচন।