
শেষ আপডেট: 11 February 2019 18:30
‘‘পাঁচ প্রজন্ম ধরে আমাদের পরিবার বনসাইয়ের ব্যবসা করছে,’’ জানিয়েছেন সেইজি। তাঁদের গোটা বাড়িটাই সবুজে মোড়া। বাড়ির চারদিকে রয়েছে বাগান। সেখানে নানা আকারের, নানা ধরনের বনসাইয়ের ভিড়। কোনওটা কচি চারা, আবার কোনওটার বয়স পেরিয়েছে শত বছর। চুরি যাওয়া শিমপাকু জুনিপারের বয়স ছিল ৪০০ বছরের কিছু বেশি। কয়েক বছর আগে এই গাছটিকে সংগ্রহ করেছিলেন লিমুরা দম্পতি। জানিয়েছেন, সঠিক পরিচর্চা না করলে বনসাই বেশিদিন বাঁচে না। তাই সন্তানের মতোই লালন পালন করতেন গাছটিকে। আরও নানা প্রজাতির গাছ রয়েছে তাঁদের সংগ্রহে। ফুইয়ুমি জানিয়েছেন, মোট সাত রকমের গাছ চুরি রয়েছে তাঁদের বাগান থেকে যাদের মিলিত দাম ৮৩ লক্ষ টাকারও বেশি।
নিয়মিত জল না দিলে শিমপাকু বাঁচে না। এমনটাই জানিয়েছেন সেইজি। তাঁর কথায়, ‘‘১৮৬৮ সাল থেকে আমাদের পরিবার বনসাই চাষের সঙ্গে যুক্ত। আমার সংগ্রহে অনেক বিরল প্রজাতির গাছ আছে। চুরি যাওয়া শিমপাকু বিরলতম। পাহাড়ি এলাকা থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। চার শতক ধরে আমাদের পরিবারে রয়েছে। এর বাজারদর অনেক।’’ সেইজির অভিযোগ বেশ কয়েকবছর ধরে এলাকায় বনসাই-মাফিয়ারা সক্রিয়। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে দরজা ভেঙে বাগানে ঢুকে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে চোরেরা।
Juniperus chinensis এই প্রজাতিকেই জাপানি ভাষায় বলে শিমপাকু। ‘ওয়ার্ল্ড বনসাই ফ্রেন্ডশিপ ফেডারেশন’ জানিয়েছে, সাধারণত ৩ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার হয় এই গাছগুলো। এদের বৃদ্ধিও হয় খুব ধীরে ধীরে। বাঁচে দীর্ঘ সময়। তবে নিয়মিত গাছের পরিচর্চা করতে হয়।
সেইজি ও ফুইয়ুমির আক্ষেপ, টাকার জন্য তাঁরা চিন্তিত নন। তাঁদের ‘ছেলে’র ঠিকমতো দেখভাল হলেই হলো।
The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন