Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

হাসপাতালে পৌঁছেও খুলল না অ্যাম্বুল্যান্সের দরজা, মৃত শিশু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অ্যাম্বুল্যান্স রোগীর প্রাণ বাঁচায়। এমনটাই জানা ছিল এত দিন। কিন্তু এই অ্যাম্বুল্যান্সের কারণেই যে মৃত্যু ঘটবে শিশুর, কেউ ভাবতেও পারেনি। দু'মাস বয়সি অসুস্থ শিশুকে নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন বাবা-মা। কিন্ত

হাসপাতালে পৌঁছেও খুলল না অ্যাম্বুল্যান্সের দরজা, মৃত শিশু

শেষ আপডেট: 18 July 2018 04:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অ্যাম্বুল্যান্স রোগীর প্রাণ বাঁচায়। এমনটাই জানা ছিল এত দিন। কিন্তু এই অ্যাম্বুল্যান্সের কারণেই যে মৃত্যু ঘটবে শিশুর, কেউ ভাবতেও পারেনি। দু'মাস বয়সি অসুস্থ শিশুকে নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন বাবা-মা। কিন্তু কিছুতেই খুলল না স্বয়ংক্রিয় অ্যাম্বুল্যান্সের দরজা। ফলে ভিতরেই শেষ হয়ে গেল শিশুর প্রাণ। পুলিশ জানিয়েছে, ছত্তীসগড়ে রায়পুরের ভীমরাও অম্বেদকর হাসপাতালে আনা হয় শিশুটিকে। তার হৃদপিণ্ডে জন্মগত সমস্যা ছিল, মঙ্গলবার খুবই আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি হয় তার। দিল্লির এইমসে ভর্তি ছিল সে। অবিলম্বে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়, সেই কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে রায়পুরে আনা হয় তাকে। মঙ্গলবার ট্রেনে করে রায়পুরে পৌঁছে, সঞ্জীবনী এক্সপ্রেস নামের সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা নেন  শিশুটির বাবা। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছে দেখা যায়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে খুলছে না অ্যাম্বুল্যান্সের দরজা। অনেক চেষ্টা করেও হার মানেন শিশুর মা-বাবা ও অ্যাম্বুল্যান্স কর্মীরা। শেষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুল্যান্সের দরজা ভাঙতে যান শিশুর বাবা। কিন্তু সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হওয়ার কথা বলে বাধা দেওয়া হয় তাঁকে। এত কাণ্ডের মধ্যে গাড়ির মধ্যেই মারা যায় আশঙ্কাজনক অবস্থার শিশুটি।

অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা সংস্থা থেকে অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানানো হয়, শিশুটি আগেই মারা গিয়েছিল এবং তাদের যন্ত্রের কোনও ত্রুটি ছিল না।


```