
শেষ আপডেট: 17 May 2023 09:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবা আর সৎ-মায়ের সঙ্গে থাকত ৭ বছরের ছেলে। সৎ-মা (stepmother)অবশ্য পছন্দ করত না তাকে। তাই তার ঠাঁই হয়েছিল দাদু-ঠাকুমার ঘরে। রোজ তাঁদের সঙ্গেই শুত একরত্তি ছেলে। কিন্তু সেদিন খুব গরম ছিল। বাবা-মায়ের ঘরে কুলার থাকায় ছেলেকে সেখানেই এসে শুতে বুলেছিল বাবা। শুনেই খুশিতে আত্মহারা হয়ে গিয়েছিল ছেলে। তখনও সে জানত না, আরামের ওই ঘুমই তার শেষ ঘুম হবে। সৎ মায়ের মন রাখতে নিজের বাবাই খুন করল ছেলেকে (Indore Man Strangles Son)।
ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের। মৃত শিশুটির নাম প্রতীক। তাকে খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই বাবা শশীপাল মুন্ডে (২৬) এবং তার তৃতীয় স্ত্রী পায়েলকে (২৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, প্রতীক শশীপাল ও তার আগের এক স্ত্রীর সন্তান। তাকে নিয়ে পায়েলের সঙ্গে প্রতীকের অশান্তি লেগেই থাকত। পায়েল একেবারেই পছন্দ করত না শিশুটিকে। সে চাইত, শশীপাল যেন ছেলেকে অন্য কোথাও রেখে আসে বা মেরে ফেলে।
সম্প্রতি পায়েলেরও ছেলে হয়েছিল। সন্তানের জন্মের পর থেকে বাপের বাড়িতে থাকছিল সে। স্বামীকে শাসিয়ে রেখেছিল, আগের পক্ষের ছেলেকে বিদায় না করলে সেও আর বাপের বাড়ি থেকে ফিরবে না। এই নিয়ে রাগারাগির জেরে সে শশীপালকে হোয়াটসঅ্যাপে ব্লকও করে দিয়েছিল।
স্ত্রীর মান ভাঙাতে ছেলেকে খুন করবে বলে ঠিক করে শশীপাল। রবিবার রাতে সে ছেলেকে বলে তার সঙ্গে তার ঘরেই ঘুমোতে। বাবার ঘরে কুলার এআছে, গরমে আরাম লাগবে, সেই ভেবে উৎফুল্ল হয়ে ওঠে ছোট্ট প্রতীক। দাদু ঠাকুমাকে বলে বাবার ঘরে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে সে। এরপর রাত বাড়তেই জোরে টিভি চালিয়ে দিয়ে ঘুমের মধ্যেই ছেলেকে খুন করে সে।
শুধু তাই নয়, খুনের ঘটনা ভিডিও রেকর্ড করে স্ত্রীকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠায় সে। কিন্তু নম্বর ব্লকড থাকায় সেই ভিডিও আদৌ পৌঁছায়নি পায়েলের কাছে। এর কিছুক্ষণ পরেই পালিয়ে যায় শশীপাল।
পুলিশ মঙ্গলবার পায়েল এবং শশীপাল দুজনকেই গ্রেফতার করেছে। শশীপালের মোবাইল থেকে ছেলেকে খুন করার ভিডিওটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। যদিও পায়েলের দাবি, এই ঘটনায় তার কোনও যোগ নেই। সে কোনওদিনই প্রতীককে খুন করার কথা বলেননি স্বামীকে।
মমতার আচমকা হানা নবান্নের ছ’তলায়, তারপর গেলেন ১২ তলাতেও, কারণ কী?