
শেষ আপডেট: 10 February 2020 18:30
অল হায়াত ন্যাশনাল হাসপাতালে কর্মরত দুই নার্সের মধ্যেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে খবর সামনে এসেছিল। দু’জনেই কেরলের বাসিন্দা। জানা যায়, প্রথমে নিউমোনিয়ার সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও, পরে দেখা যায় একজন সিভিয়ার রেসপিরেটারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ফিলিপিন্সের এক মহিলা করোনাভাইরাস-পজিটিভ ছিলেন। তাঁকে দেখভাল করার সময়েই অসাবধানতাবশত এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ায় ওই নার্সের শরীরে। ফিলিপিন্সের ওই মহিলা যে ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন, সেখানকার দায়িত্বে ছিলেন আরও তিনজন ভারতীয় নার্স। তাঁদের শরীরেও সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেই দাবি করেছিল ওই হাসপাতাল। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে চিঠি লিখেছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। সৌদি আরবের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আক্রান্ত নার্সের উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলেন তিনি। তবে সৌদি প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল, ভারতীয় নার্সরা নাকি সুস্থই আছেন। কেউ ভাইরাসে সংক্রামিত হননি।
চিনে করোনাভাইরাসের দাপট অব্যাহত। মঙ্গলবার হুবেই প্রদেশে মারা গিয়েছেন আরও ১০৩ জন। সব মিলিয়ে চিনে মৃত্যু হল ১ হাজার ১১ জনের। হুবেইয়ের হেলথ কমিশন জানিয়েছে, সেখানে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯৭ জন। সামগ্রিকভাবে চিনে ৪২ হাজার ২০০ মানুষের দেহে দেখা গিয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ।
সোমবার রাতে চিনে পৌঁছেছেন হু-র একদল বিশেষজ্ঞ। তাঁদের নেতৃত্বে আছেন ব্রুস আইলওয়ার্ড। তিনি ২০১৪-১৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা মহামারীর সময় ত্রাণের কাজ চালিয়েছেন। এর আগে হু-র প্রধান তেদ্রোস আডহানম ঘেব্রেইসাস সতর্ক করে বলেছেন, কয়েকটি দেশে এমন অনেকের শরীরে করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে যাঁরা কখনও চিনে যাননি।