
শেষ আপডেট: 16 October 2019 18:30
রেস্তোরাঁ জুড়ে তাদের অবাধ বিচরণ। গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলছে বিনয়ের সঙ্গে। নিচ্ছে পছন্দের খাবারের অর্ডার। আবার রোবটের পেছনে থাকা মনিটরের স্ক্রিনে ভেসে ওঠা বাটনে চাপ দিয়ে গ্রাহকরাও দিচ্ছেন খাবারের অর্ডার। শক্তিশালী ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে সে অর্ডার স্বয়ংক্রিয় ভাবে চলে যাচ্ছে রান্নাঘরে, শেফের কাছ। ঝটপট তৈরি হচ্ছে খাবার। দ্রুত সেই খাবার নিয়ে ওই রোবটই হাজির হচ্ছে নির্দিষ্ট টেবলে।
জিৎ বাসা বলেছেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় যে, ওয়েটাররা কয়েক ঘণ্টা কাজের পর ক্লান্ত হয়ে পড়েন। ক্লান্ত অবস্থায় তাঁরা গ্রাহকদের খাবার সরবরাহ করতে বাধ্য হন। কিন্তু এই রোবটরা কখনওই ক্লান্ত হবে না। তাই যখন রোবট খাবার সরবরাহ করবে, তখন এটি গ্রাহককে আরও ভাল পরিষেবা দিতে পারবে। পাশাপাশি একটা রোমাঞ্চকর পরিবেশও তৈরি হবে। আহ্লাদিত হবে বাচ্চারাও। "
খাবারের স্বাদে একঘেয়েমি কাটাতেও টিপস দেবে এই রোবটরা। ইতিমধ্যেই নাকি দু'একটা খাবারের পদ বানিয়ে ফেলেছে তারা। সেটা বেশ পছন্দও করেছেন গ্রাহকরা। রোবটের হাতের রান্নার সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে গোটা চন্দ্রশেখরপুরে। রোবট-রেস্তোরাঁর চম্পা-চামেলিকে দেখতে আগামী দিনে যে লম্বা লাইন পড়বে সেটা বেশ বুঝতে পারছেন মালিক জিৎ বাসা। তবে চম্পা-চামেলি এখন শুধু ওড়িয়া ভাষাই জানে। পরবর্তীতে তাদের আরও কিছু ভাষা শেখানো হবে বলে জানিয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিক।
পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা...
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%9a%e0%a7%87/