Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

ভাইরাস তাড়াবে, শরীর মজবুত করবে, পাঁচ ভিটামিন ও মিনারেলসে ভরসা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সারানোর দাওয়াইয়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে। ভ্যাকসিন এখনও অধরা। এমন অবস্থায় ভাইরাসের দাপাদাপি থেকে রেহাই পেতে শরীরের রোগ প্রতিরোধের দিকেই নজর দিতে বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র গাইডলাইনে সেই

ভাইরাস তাড়াবে, শরীর মজবুত করবে, পাঁচ ভিটামিন ও মিনারেলসে ভরসা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের

শেষ আপডেট: 18 June 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সারানোর দাওয়াইয়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে। ভ্যাকসিন এখনও অধরা। এমন অবস্থায় ভাইরাসের দাপাদাপি থেকে রেহাই পেতে শরীরের রোগ প্রতিরোধের দিকেই নজর দিতে বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র গাইডলাইনে সেই কবে থেকেই সংক্রমণ ঠেকাতে পুষ্টিকর ডায়েটের উপর জোর দিতে বলা হয়েছে। ভিটামিন ও মিনারেলস সমৃদ্ধ খাবার অথবা অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মেনে নির্দিষ্ট ডোজের সাপ্লিমেন্ট শরীরকে ভেতর থেকে শক্তপোক্ত করে রোগের মোকাবিলা করার তাকত দেবে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) এবং বিভিন্ন সায়েন্স ইনস্টিটিউট ও রিসার্চ ফার্মের গবেষক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই করোনা কালে রোগ প্রতিরোধ শক্তি একটা বড় ফ্যাক্টর। ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করে যেটুকু বোঝা গেছে তাতে ভাইরাল ফ্যাক্টর অনেকটাই নির্ভর করে হোস্ট ফ্যাক্টরের উপর। অর্থাৎ যে শরীরকে ভাইরাস টার্গেট বানাচ্ছে, সেই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যদি বেশি হয় তাহলে সংক্রমণ গভীরে ছড়াতে পারবে না। কিন্তু যদি শরীর দুর্বল হয় বা কোনও ক্রনিক রোগ থাকে, তাহলে চট করে সংক্রমণ ধরে নেবে। হাঁপানি, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন বা হার্টের রোগী, কেমোথেরাপি চলছে এমন রোগী, এইচআইভির চিকিৎসা চলছে এমন রোগীদের রিস্ক ফ্যাক্টর অনেক বেশি। এখন দেখে নেওয়া যাক এই রোগ প্রতিরোধ বা ‘ইমিউনিটি’ (Immunity) বাড়াতে কোন কোন ভিটামিন ও মিনারেলসে ভরসা রাখছেন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা। ভিটামিন ডি নিউট্রিশনিস্ট ডক্টর রোহিনী সোমনাথ বলছেন, শরীরকে ভেতর থেকে ঝরঝরে রাখতে ভিটামিন ডি-এর কোনও বিকল্প নেই। ভিটামিন ডি-এর উৎস হল সূর্যালোক। সূর্যের আলোয় শরীর নিজেই ভিটামিন ডি বানিয়ে নিতে পারে। এর পাশাপাশি কিছু খাবারও আছে যা ভিটামিন ডি-র অভাব পূরণ করতে পারে। সামুদ্রিক মাছ, মাছের তেল, দুধ, দই জাতীয় খাবারেও ভিটামিন ডি থাকে। ভিটামিন ডি-এর গুণ অনেক। ডায়াবেটিসের মহার্ঘ দাওয়াই। মেদ কমাতে ও রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। ভিটামিন ডি-এর ঘাটতিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে ভিটামিন ডি ডেফিশিয়েন্সি (ভিডিডি)।ভিডিডি-র ফলে শুধু হাড়ের সমস্যা নয়, হরমোনের অসমতাও হতে পারে। ফলে, বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয় ভিটামিন ডি-র অভাব। ভিটামিন সি কোভিড সংক্রামিত রোগীদের শরীরে ভিটামিন সি ভাল কাজ করেছে এমন দাবি করেছেন চিনের বিজ্ঞানীরা।  সাংহাই মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণার রিপোর্ট চাইনিজ জার্নাল অব ইনফেকশাস ডিজিজ-এ এই গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশিত হযেছিল। গবেষকদের বক্তব্য, ভেন্টিলেটরে থাকা সঙ্কটাপন্ন রোগীদের যদি বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট দেওয়া যায়, তাহলে সংক্রমণ দ্রুত কমতে পারে।  অ্যাসকরবিক অ্যাসিড বা ভিটামিন সি হল শরীরের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যে কোনও খারাপ প্রোটিন বা টক্সিনের প্রভাব কমাতে পারে ভিটামিন সি। ত্বক ও চুল ভাল রাখতে,  লিম্ফোসাইট বা শ্বেতকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে যে কোনও রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ভিটামিন সি-এর ভূমিকা আছে। রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়াও ঠেকাতে পারে ভিটামিন সি। লেবু জাতীয় ফল, পেঁপে, পেয়ারা, হলুদ ক্যাপসিকাম, সবুজ শাক-সব্জিতে ভরপুর ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন ই এটি এমন এক ধরনের ভিটামিন, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট উপাদান। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে ভাল রাখে। সংক্রামক যে কোনও রোগের সঙ্গে লড়াই করতে পারে ভিটামিন ই। এক জন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ পুরুষ বা মহিলার দিনে সাধারণত ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই প্রয়োজন। দিনের রোজকার খাবারের মধ্য থেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ই টেনে নেয় শরীর। ক্যানোলা বা সানফ্লাওয়ার অয়েলে রান্না করা খাবার, আমন্ড, চিনেবাদাম, ব্রকোলি, পালং ইত্যাদিতে থাকে ভিটামিন ই।   ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্ক ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্গ এমন দুই খনিজ উপাদান যাদের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ আছে। অর্থাৎ শরীরের প্রদাহজনিত রোগ দূর করতে পারে। করোনার সংক্রমণে এই প্রদাহজনিত রোগের প্রকোপই বেশি দেখা যাচ্ছে। টাইপ-২ ডায়াবেটিস সারাতে ম্যাগনেসিয়ামের কার্যকরী ভূমিকা আছে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রম করে। পালংশাক, ডার্ক চকলেট, কাঠবাদাম, অ্যাভোক্যাডো, স্যামনে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম থাকে।   সেলেনিয়াম ইমিউন সিস্টেমের উপরে কার্যকরী ভূমিকা আছে সেলেনিয়ামের। সংক্রামক প্যাথোজেন বা টক্সিক প্রোটিনের বিরুদ্ধে শরীরের ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। হাঁপানি কমায়, আর্থ্রাইটিস, ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। মানসিক স্বাস্থ্যও ভাল রাখে সেলেনিয়াম। রসুন, ব্রোকোলি, টুনা মাছে প্রচুর পরিমাণ সেলেনিয়াম থাকে।

```