সেচ দফতর ইতিমধ্যেই রিপোর্টে জানিয়েছে, ইছামতির পাড়ে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি হোটেল বেআইনি। কিন্তু অভিযোগ, প্রশাসনের একাংশের মদতেই দিনের পর দিন চলে এসেছে এই অবৈধ নির্মাণ।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 1 September 2025 19:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র টাকি (Luxury Resort in Taki)। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে ইছামতির পাড়ে (Ichamati) ভিড় করেন হাজার হাজার পর্যটক। আর সেই সুযোগকেই হাতিয়ার করে নদীর ধারে একের পর এক গজিয়ে উঠেছে বিলাসবহুল হোটেল ও রিসর্ট।
কিন্তু এবার এই হোটেলগুলিকে ঘিরেই তীব্র বিতর্ক। অভিযোগ, সেচ দফতরের জমি দখল করে গড়ে উঠেছে একাধিক বেআইনি নির্মাণ (Illegal hotel)। পরিবেশ বিধি ও সরকারি নিয়মকে উপেক্ষা করেই চলছে এই কাজ। আর সেই অভিযোগ নিয়েই এবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে। মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী দিগন্ত বোস জানান, এক পরিবেশবিদ বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি লিখিত ভাবে অভিযোগ জানান রাজ্যের পরিবেশ দফতর, সেচ দফতর, টাকি পুরসভা এবং বসিরহাট মহকুমা শাসকের কাছে। তাতেই উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
সেচ দফতর ইতিমধ্যেই রিপোর্টে জানিয়েছে, ইছামতির পাড়ে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি হোটেল বেআইনি। কিন্তু অভিযোগ, প্রশাসনের একাংশের মদতেই দিনের পর দিন চলে এসেছে এই অবৈধ নির্মাণ।
মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, ওই হোটেলগুলির মধ্যে একটি মালিকানাধীন তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের এক শীর্ষ নেতার। তিনি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের খাদ্য সরবরাহ দফতরের কর্মাধ্যক্ষও। নাম শাহানুর মণ্ডল। অভিযোগ, প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়েই তিনি গড়ে তোলেন বিলাসবহুল রিসর্ট।
এ বিষয়ে টাকি পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট দফতরের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। তবে এই মামলার জেরে টাকির পর্যটন ও প্রশাসনিক মহলে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশের দিকে এখন তাকিয়ে রাজ্যবাসী।