ইঞ্জেকশন নিতে ব্যথার ভয় আর নয়, নয়া নিডল আবিষ্কার আইআইটি খড়্গপুরের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইঞ্জেকশন নিতে কম বেশি সকলেই ভয় পায়। ছোট থেকে বড় সব্বাই। আর কম হোক বা বেশি ইঞ্জেকশন নিতে ব্যথা লাগেই। আর তাতেই তো ভয়। এবার সেই ভয় দূর হতে পারে। ইতিমধ্যেই খড়্গপুর আইআইটি এমন এক নিডল আবিষ্কার করেছে যা দিয়ে ইঞ্জেকশন দিলে খুব
শেষ আপডেট: 30 August 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইঞ্জেকশন নিতে কম বেশি সকলেই ভয় পায়। ছোট থেকে বড় সব্বাই। আর কম হোক বা বেশি ইঞ্জেকশন নিতে ব্যথা লাগেই। আর তাতেই তো ভয়। এবার সেই ভয় দূর হতে পারে। ইতিমধ্যেই খড়্গপুর আইআইটি এমন এক নিডল আবিষ্কার করেছে যা দিয়ে ইঞ্জেকশন দিলে খুব বেশি ব্যথা লাগবে না।
আরও পড়ুন
সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, খড়্গপুর আইআইটি-র গবেষকরা এক ধরনের মাইক্রোনিডল তৈরি করেছেন যা দিয়ে সব ধরনের ইঞ্জেকশন দেওয়া যাবে। আর এই মাইক্রোনিডল শরীরে ফোটালে খুব একটা ব্যথাও লাগবে না। এই গবেষণা করেছে খড়্গপুর আইআইটি-র ডিপার্টমেন্ট অফ ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। সাধারণ ভাবে যে সূচ দিয়ে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় তার থেকে অনেকটাই সরু হবে নতুন এই নিডল। তবে শরীরে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষমতা হবে সমান। আবার সরু বলে এই সূচ ভেঙে যাওয়ারও কোনও সম্ভাবনা নেই। এটা একেবারেই পলকা নয়।
মাইক্রোনিডল অবশ্য একেবারে নতুন নয়। ডায়াবেটিসের রোগীরা এই নিডল ব্যবহার করেই ইনসুলিন নেন। কিন্তু অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রে তা ব্যবহার করা যায় না। গবেষকদের দাবি, এই সূচ দিয়ে ভ্যাকসিনও দেওয়া যাবে। কোভিড-১৯ এর টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কম ব্যাথার এই সূচ খুবই উপযোগী হবে বলে দাবি গবেষকদের।
প্রধান গবেষক অধ্যাপক তরুণকান্তি ভট্টাচার্য সংবাদসংস্থাকে বলেছেন, এই সূচ চামড়ার প্রতিরোধ শক্তি সহ্য করতেও সক্ষম। এটি তৈরির জন্য আয়নিক পলিমার মেটাল কম্পোজিট মেমব্রেন ভিত্তিক মাইক্রোপাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে ইঞ্জেকশন দেওয়ার সময়ে শরীরে ড্রাগ মলিকিউলের প্রবাহ ঠিক থাকবে।
জানা গিয়েছে, এই গবেষণার জন্য আর্থিক ভাবে সাহায্য করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই প্রোটোকল মেনে বিভিন্ন পশুর শরীরে এই নিডল ব্যবহার করে সাফল্য মিলেছে। এখন এই নিডলের পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে।