এর আগেও SIR প্রক্রিয়ায় বিএলওদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এক একজন ভোটারের বাড়িতে অন্তত তিন বার যেতে হবে।
.jpeg.webp)
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।
শেষ আপডেট: 16 December 2025 19:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খসড়া ভোটার তালিকা (Draft List) প্রকাশের পরই শুরু হয়েছে যাচাই-পর্ব। মঙ্গলবার প্রকাশিত SIR খসড়া তালিকায় যাঁদের নাম নেই বা যাঁদের তথ্য নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে, তাঁদের জন্য শুরু হচ্ছে শুনানি। এই হিয়ারিং চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। তার পর সমস্ত ঝাড়াই-বাছাই শেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।
তবে ভোটারদের স্বার্থে বাড়তি ছাড় রাখছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। নির্দিষ্ট দিনে কেউ শুনানিতে হাজিরা দিতে না পারলে সময় দেওয়া হবে—তবে সঙ্গত কারণ দেখাতে হবে (Hearing,Valid Reason)। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা, প্রকৃত কোনও ভোটার যেন এই প্রক্রিয়ায় বাদ না পড়েন।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, “হতে পারে কেউ যুক্তিসঙ্গত কারণে নির্দিষ্ট দিনে শুনানিতে আসতে পারলেন না। তার মানে এই নয় যে তাঁকে সুযোগ দেওয়া হবে না। প্রকৃত ভোটারকে বঞ্চিত করা হবে না, এটাই কমিশনের লক্ষ্য।”
এর আগেও SIR প্রক্রিয়ায় বিএলওদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এক একজন ভোটারের বাড়িতে অন্তত তিন বার যেতে হবে।
এর মধ্যেই SIR ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তপ্ত। কমিশনও কড়া অবস্থান নিয়েছে। একজন বৈধ ভোটারের নামও যেন বাদ না যায়, সে বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে কারও নাম বাদ গেলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
সিইও স্পষ্ট করে বলেন, “একজনও বৈধ ভোটারের নাম যদি বাদ যায়, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” পাশাপাশি তিনি এও মনে করিয়ে দেন, যদি কোনও অবৈধ ভোটার বা ASDD তালিকাভুক্ত কারও নাম ইচ্ছাকৃত ভাবে খসড়া তালিকায় ঢোকানো হয়, সেক্ষেত্রেও দায়ীদের বিরুদ্ধে সমান কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কমিশন সূত্রের খবর, প্রকাশিত খসড়া তালিকায় প্রায় ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জন ভোটারের ক্ষেত্রে কোনও না কোনও তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তবে তার মানে এই নয় যে সকলকেই শুনানিতে হাজিরা দিতে হবে বা সকলেই নোটিস পাবেন। বহু ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল ত্রুটি, বিএলও বা অ্যাপের ভুল থাকতে পারে। সেগুলি আলাদা করে রি-চেক করা হবে।
ফলে প্রাথমিক হিসাবে দেখানো অসঙ্গতির সংখ্যা অনেকটাই কমতে পারে। কমিশন সূত্রের দাবি, রি-চেকের পর এই সংখ্যা নেমে প্রায় ১ লক্ষ ৩৬ হাজারের আশেপাশে আসতে পারে—বা আরও কমতেও পারে।