Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরও

বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ বাড়াচ্ছে যক্ষ্মার টিকা, তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিবডি, সুখবর দিল আইসিএমআর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ষাটোর্ধ্ব প্রবীণদের শরীরে কার্যকরী হয়েছে যক্ষ্মার টিকা। কোভিড প্রতিরোধে বয়স্কদের শরীরে তৈরি হচ্ছে অ্যাডাপটিভ ইমিউনিটি। অর্থাৎ একদিকে যেমন রক্তে অ্যান্টিবডি বাড়ছে, তেমনি সক্রিয় হচ্ছে টি-কোষও। গত কয়েকমাসে দেশের নানা রাজ্যে য

বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ বাড়াচ্ছে যক্ষ্মার টিকা, তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিবডি, সুখবর দিল আইসিএমআর

শেষ আপডেট: 28 October 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ষাটোর্ধ্ব প্রবীণদের শরীরে কার্যকরী হয়েছে যক্ষ্মার টিকা। কোভিড প্রতিরোধে বয়স্কদের শরীরে তৈরি হচ্ছে অ্যাডাপটিভ ইমিউনিটি। অর্থাৎ একদিকে যেমন রক্তে অ্যান্টিবডি বাড়ছে, তেমনি সক্রিয় হচ্ছে টি-কোষও। গত কয়েকমাসে দেশের নানা রাজ্যে যক্ষ্মার টিকার ক্লিনিকাল রিপোর্ট সামনে এনে দাবি করল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)। করোনার প্রতিষেধক হিসেবে যক্ষ্মার টিকা কতটা কার্যকরী হতে পারে সে ব্যাপারে নানা মত ছিল। টিউবারকিউলোসিস রুখতে  ‘ব্যাসিলাস ক্যালমেট গেরান’ তথা বিসিজি ভ্যাকসিন যতটা কার্যকরী, করোনা সংক্রমণ রুখতে ততটাই কার্যকরী হবে জানতে ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়েছিল বিশ্বজুড়েই। ভারতে বিসিজি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল করছিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এরঅধীনস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন টিউবারকিউলোসিস (NIRT) । ষাটোর্ধ্ব প্রবীণদের শরীরে বিসিজির টিকার ডোজ ইনজেক্ট করে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল এতদিন। আইসিএমআর জানিয়েছে, যাদের বিসিজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল প্রত্যেকের শরীরেই করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেড়েছে। BCG vaccination may induce heterologous immunity and protect against Covid-19 ভারতে বিসিজি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল কীভাবে হয়েছে? তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও দিল্লিতে বিসিজি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করেছিল আইসিএমআর-এনআইআরটি। টিকা দেওয়া হয়েছিল ১৫০০ জন স্বেচ্ছাসেবককে যাঁদের মধ্যে ৮৬ জন প্রবীণ। বয়স ৬০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে। দুটি দলে ভাগ করে টিকার ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। ৫৪ জনকে টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছিল, বাকি ৩২ জনকে সাধারণ মেডিকেশনে রাখা হয়েছিল। আইসিএমআর জানিয়েছে, বয়স্ক ব্যক্তিদের ০.১ এমএল ডোজে বিসিজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় অন্তর টিকার ডোজ দিয়ে দেখা গেছে, ইমিউনিটি বেড়েছে এবং কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।   কীভাবে বেড়েছে রোগ প্রতিরোধ শক্তি? ভারতে শিশুদের বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। তাই শিশুদের শরীরে এই টিকার প্রভাব কার্যকরী সেটা প্রমাণিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিসিজি ভ্যাকসিন একই সঙ্গে ইননেট ও অ্যাডাপটিভ ইমিউনিটিকে জাগিয়ে তোলে। ইননেট ইমিউনিটি হল জন্মগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যা শ্বেত রক্তকণিকা করে থাকে। শরীরে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা প্যাথোজেন ঢুকলেই শ্বেত রক্তকণিকার নিউট্রোফিল, ম্যাক্রোফাজ ও মোনোসাইট প্রতিরোধ গড়ে তোলে। আর অ্যাডাপটিভ ইমিউনিটি হল বি-কোষ (B-Cell)টি-কোষকে (T-Cell) সক্রিয় করে তোলা। মেমরি বি-সেল তৈরি করা যা ভাইরাল অ্যান্টিজেনকে চিনে রাখতে পারে। সেই অ্যান্টিজেনের প্রতিরোধে অ্যান্টিবডিও তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে ঘাতক টি-কোষ বা টি-লিম্ফোসাইট কোষকে সক্রিয় করে তোলা যাতে জীবাণু শুধু নয়, সংক্রামিত কোষও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। CD8+ T কোষ সক্রিয় হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ভাইরাল অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে শরীরে সুরক্ষা বলয় তৈরি হয়। আইসিএমআর জানাচ্ছে, বিসিজি ভ্যাকসিন একই সঙ্গে ইননেট ও অ্যাডাপটিভ ইমিউনিটিকে জাগিয়ে তুলেছে।   কোভিড প্রতিষেধক হতে পারে যক্ষ্মার টিকা, দাবি ছিল জেএনইউ-র ১৯১৯ সালে প্যারিসের পাস্তুর ইনস্টিটিউটে যক্ষ্মা রোগের এই প্রতিষেধকটি আবিষ্কার করেন ক্যামিল গেরান ও অ্যালবার্ট ক্যালমেট। ১৯২১ সালে প্রথম এই ভ্যাকসিন মানুষের উপরে প্রয়োগ করা হয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধই নয়, এই ভ্যাকসিন শিশু মৃত্যুর হারও কমায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। টিউবারকিউলোসিস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামক স্ট্রেনগুলোকে অকেজো করতে পারে এই ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগে শরীরে এমন অ্যান্টিবডি তৈরি হয় যা যে কোনও রোগের বিরুদ্ধেই ইমিউনিটি গড়ে তুলতে পারে। দিল্লির জওহরলাল নেহুরু ইউনিভার্সিটির (জেএনইউ)গবেষকরা দাবি করেছিলেন, কোভিড প্রতিরোধী করতে ছ’রকমের বিসিজি স্ট্রেন নিয়ে টিকা তৈরি হয়েছে। যার মধ্যে বিসিজি পাস্তুর, বিসিজি টোকিও, বিসিজি ড্যানিশ, বিসিজি রাশিয়ার স্ট্রেন থেকে তৈরি ভ্যাকসিন আশা জাগিয়েছে বলে দাবি। দেশে সব স্ট্রেনের কম্বিনেশনেই টিকা তৈরি হয়েছে।

```