Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

স্কুলে কাজ করতে করতেই শুনলেন চাকরিটা আর নেই, মাথায় হাত দিনমজুরের ছেলে পোলবার জিতেন টুডুর

পোলবার সুগন্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের কামদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা জিতেন টুডু। ২০১৮ সালের ১৮ এপ্রিল হারিট হাইস্কুলে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন।

স্কুলে কাজ করতে করতেই শুনলেন চাকরিটা আর নেই, মাথায় হাত দিনমজুরের ছেলে পোলবার জিতেন টুডুর

চাকরি হারানো জিতেন টুডু

শেষ আপডেট: 3 April 2025 15:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি:  মা বাবা দিনমজুর। ছেলের চাকরি পাওয়ায় কিছুটা সচ্ছলতার মুখ দেখেছিল পরিবার। চাকরি বাতিলে আবার নামল অন্ধকার। সুপ্রিম রায়ে চাকরি গেছে ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর। রায় শুনে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন পোলবার জিতেন টুডু।

পোলবার সুগন্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের কামদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা জিতেন টুডু। ২০১৮ সালের ১৮ এপ্রিল হারিট হাইস্কুলে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। গ্রুপ 'ডি' পিয়ন পদে চাকরি পান তিনি। আজ যখন রায় ঘোষনা হয় তখন স্কুলেই ছিলেন।রায় শুনে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন। তাঁর  অবস্থা বুঝে স্কুলের শিক্ষকরা তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যান।

জিতেন বলেন, "দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আজ সাড়ে দশটায় রায় ছিল। স্কুলে ছিলাম তখন। রায় শুনে আর কিছু বলার অবস্থায় নেই। আর স্কুলে থেকে কী করব। বাড়ি চলে আসি। সরকার চাইলে সবই করতে পারত। এসএসসির কাছে নথি নেই? সবই আছে। আমাদের কাছে সমস্ত কিছু ডকুমেন্টস আছে। মা বাবা মাঠে কাজ করে। আমাদের টাকা দেওয়ার কোনও ক্ষমতা ছিল না। আমাদের কোন সোর্সও ছিল না যে কাউকে হাতে-পায়ে ধরে চাকরি চাইব। ভেবেছিলাম যারা যোগ্য, তাদের চাকরি থাকবে। আগামী দিনে কী হবে কিছুই জানি না।"   
 
জিতেনরা দুই ভাই। বাড়িতে মা-বাবা-স্ত্রী সবাই রয়েছেন। হঠাৎ করে চলে গেল চাকরি। এবার কী হবে জানা নেই। হারিট হাইস্কুলে প্রায় ৮০০ ছাত্রছাত্রী রয়েছে। এই স্কুলে শুধুমাত্র জিতেন টুডুর চাকরিই বাতিল হয়েছে।


```