
হুগলিতে মেট্রো চেয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
শেষ আপডেট: 23 December 2024 17:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো,হুগলি: শহর কলকাতা থেকে জেলা হওড়ায় পৌঁছে গেছে মেট্রো রেল। এবার কি গন্তব্য হুগলি! হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎপরতা তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। কেন্দ্র যদি একটু দয়া করে তাহলে হুগলিতে মেট্রো চলবে! আশাবাদী সাংসদ রচনা।
সোমবার হুগলির জেলাশাসক মুক্তা আর্যর সঙ্গে এলাকার উন্নয়ন নিয়ে বৈঠক করেন রচনা। সেখানেই মেট্রো নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে রচনা বলেন, "মেট্রোটা যদি চুঁচুড়া ব্যান্ডেল পর্যন্ত আনতে পারি মানুষের খুব উপকার হয়।সেটা নিয়ে চিঠিপত্র চলছে। এটা বড় ব্যাপার। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়। সেটা নিয়ে আওয়াজ তোলা হচ্ছে। জেলাশাসকের সঙ্গেও কথা হল। ডিএম বলেছেন এটা যদি করা যায় তাহলে বহু মানুষ উপকৃত হবেন।"
রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব তাঁর চিঠির উত্তর দিয়েছেন বলেও জানান রচনা। তিনি বলেন, "সবথেকে বড় কথা। উনি বলেছেন কীভাবে এগোনো যায় সেটা দেখছেন। জমি অধিগ্রহণ করতে হলেও দেখতে হবে কোথায় কীভাবে এগোনো যায়। এটাতো সরাসরি ব্যান্ডেল শুধু নয়, মাঝে শ্রীরামপুর আছে হাওড়া আছে। হাওড়ায় রয়েছেন প্রসুন ব্যানার্জি শ্রীরামপুরে রয়েছেন কল্যাণ ব্যানার্জি। সবার সঙ্গে মিলিতভাবে এটা করতে হবে। আমার পক্ষে যতটা সম্ভব আমি চেষ্টা করব মানুষের জন্য। যেটা কেন্দ্রের হাতে তারা যদি একটু দয়া দেখান তাহলে আমরা লড়তে পারি।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এখনও কথা হয়নি। এ বিষয়ে মন্ত্রীরা রয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলে যদি বিষয়টা মিটে যায় তাহলে আর প্রশ্ন নেই।"
রচনা এদিন জানান,আরেকটা প্রস্তাব তিনি জমা দিয়েছেন। যারা আজমেঢ় শরিফ যান তাদের জন্য ব্যান্ডেলে যদি একটা
স্টপেজের ব্যবস্থা করা যায়। কারণ তাঁদের হয় বর্ধমান নাহলে কলকাতা থেকে ট্রেন ধরতে হয়। এরজন্য তিনি উদ্যোগ নিয়েছেন।
রচনা জানান, সাংসদ তহবিলের টাকায় মানকুন্ডুতে মানসিক হাসপাতাল ও ধনিয়াখালি হাসপাতালে কাজ চলছে।গ্রামের হাসপাতালে চিকিৎসকের একটা সমস্যা আছে। তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন, যাতে ভালো যোগ্য চিকিৎসকদের জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা যায়। তিনি বলেন, "আমি চাই ভালো ভালো ডাক্তাররা আসুক গ্রামের হাসপাতালে। বড় বড় হাসপাতালগুলো আমরা তৈরি করছি। তাও অনেক সময় কলকাতা ছুটতে গিয়ে রাস্তাতেই অনেক অঘটন ঘটে যাচ্ছে।"