
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 17 March 2025 18:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হুগলি জেলায় (Hooghly) নাবালিকা নিখোঁজ (Minor Girls Missing) ও বাল্যবিবাহের (Child Marriage) বাড়বাড়ন্তে উদ্বিগ্ন জাতীয় মহিলা কমিশন (NCW)। হিসেব বলছে, গত এক বছরে শুধুমাত্র হুগলি জেলায় নাবালিকা নিখোঁজের সংখ্যা ৮০০! এর কারণ হিসেবে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারকেই দায়ী করছে মহিলা কমিশন।
সোমবার চুঁচুড়ায় সার্কিট হাউজে হুগলি জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যা অর্চনা মজুমদার, হুগলির অতিরিক্ত জেলা শাসক (ডেভেলপমেন্ট), হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সরকার সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে মহিলা কমিশনের তরফে জানানো হয়, গোটা হুগলি জেলা তো বটেই, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে নাবালিকাদের নিখোঁজ হওয়ার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। মূলত দেখা যাচ্ছে মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বিষয়।
এই অবস্থায় অভিভাবকদের আরও কঠোর হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে জাতীয় মহিলা কমিশন। বাচ্চারা কী কারণে ফোন ব্যবহার করছে, কী দেখছে, সেই দিকে নজর রাখা দরকার, এমনই মত তাঁদের।
নিখোঁজের ইস্যুর পাশাপাশি বাল্যবিবাহের প্রবণতা বাড়ার বিষয়টি নিয়েও কপালে ভাঁজ মহিলা কমিশনের। তাঁরা বলছে, বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে নাবালিকা যেমন হোমে থাকে, অভিভাবকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। পুলিশকে আরও কঠোর ভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অভিভাবকদের জেলও হতে পারে।
মূলত আরামবাগ মহকুমায় স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের বাল্যবিবাহের প্রবণতা বেড়েছে। এই সমস্যা রোধে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে সচেতনতা মূলক শিবির আয়োজন এবং স্কুলে বিশেষ পাঠ্যক্রম চালু করার বিষয়ে নজর দিতে হবে বলে পরামর্শ দিয়েছে মহিলা কমিশন।