
স্কুল চত্বরে উত্তেজনা
শেষ আপডেট: 4 October 2024 19:46
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: এ যেন প্রতিবেশির সঙ্গে ঝগড়া! একই ক্যাম্পাসে থাকা প্রাইমারি ও হাইস্কুলের বিবাদ মেটাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ। পৌঁছলেন কাউন্সিলরও।
চাঁপদানির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ধর্মতলা গার্লস হাইস্কুল এবং ধর্মতলা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে ঝামেলা বহুদিনের। একই ক্যাম্পাসে থাকা দুটি স্কুলের মধ্যে সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায়। শুক্রবার প্রাইমারি স্কুলের বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে গার্লস স্কুলের বিরুদ্ধে। শুধুমাত্র বিদ্যুতের বিল নয় পানীয় জলও বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকারা জানান, হলঘর থাকলেও তা ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না তাঁদের। ছোট ছোট পড়ুয়ারা মাটিতে বসে মিডডে মিল খায়। এদিন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়ায় সেই ঝামেলা নয়া মাত্রা নেয়। গরমে বাচ্চাদের কষ্ট হচ্ছে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করেন অভিভাবকরাও। স্কুলে তালা মেরে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্কুলে উপস্থিত হন চাঁপদানির ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শ্রীকান্ত মণ্ডল। খবর পেয়ে আসে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশও। আইসি আশিস দোলুই শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলেন।
জানা গেছে, প্রাথমিক স্কুলের সারে চার হাজার টাকা বিদ্যুৎ এর বিল বাকি ছিল। কাউন্সিলর শ্রীকান্ত মণ্ডল নিজে সেই বিদ্যুতের বিল মিটিয়ে দেন নিজে । আইসি হাইস্কুলের শিক্ষিকাদের জানান, কোনও অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট দফতরে জানাতে হবে, জল বিদ্যুৎ বন্ধ করা যাবে না।
শ্রীকান্ত মণ্ডল জানান, তাঁর মেয়ে মৌসুমী মণ্ডল ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। সেই ওয়ার্ডের ধর্মতলায় দুটি স্কুলের মধ্যে সমস্যা। তিনি বলেন, "প্রাথমিক স্কুলকে বলেছি আলাদা মিটার বসিয়ে নিতে, যা খরচ হবে দিয়ে দেব, নিজেদের মধ্যে অশান্তি করবেন না, এতে ছোটোদের মনে প্রভাব পরে।"