প্রায় ৪৮ ঘণ্টা! হুগলির কানাইপুরের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নাবালিকার দেহ অবশেষে মিলল। মঙ্গলবার বিকেল চারটে থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় কানাইপুরের বছর তেরোর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এক কিশোরী। পাড়ার যুবক অসীম মজুমদার তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সেদিনই সন্ধ্যায় অভিযুক্ত মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে বলেন, "মেরে পুঁতে দিয়েছি"। তারপর থেকে ওই যুবকও বেপাত্তা, খোঁজ মিলছিল না নাবালিকারও। শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ন’পাড়া এলাকা থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার নিথর দেহ।

প্রায় ৪৮ ঘণ্টা! হুগলির কানাইপুরের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নাবালিকার দেহ অবশেষে মিলল
শেষ আপডেট: 29 May 2025 23:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় ৪৮ ঘণ্টা! হুগলির কানাইপুরের (Hooghly Minor Girl) নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নাবালিকার দেহ অবশেষে মিলল (Dead Body Found)। মঙ্গলবার বিকেল চারটে থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় কানাইপুরের বছর তেরোর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এক কিশোরী। পাড়ার যুবক অসীম মজুমদার তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সেদিনই সন্ধ্যায় অভিযুক্ত মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে বলেন, "মেরে পুঁতে দিয়েছি"। তারপর থেকে ওই যুবকও বেপাত্তা ছিল। খোঁজ মিলছিল না নাবালিকারও। শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ন’পাড়া এলাকা থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার নিথর দেহ। পাকড়াও হয় নাবালিকা ধর্ষন ও খুনে অভিযুক্ত অসীমও। ডানকুনির খরিয়াল থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ অভিযুক্তকে উত্তরপাড়া থানায় নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও কিশোরীর খোঁজ না মেলায় থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে কিশোরীর পরিবার। কিশোরী যে স্কুলে পড়াশোনা করে সেই স্কুলের টিচার ইনচার্জ সুবীর ঘোষ বলেন, আমাদের সন্দেহ হচ্ছে ওই যুবক কিশোরীকে কোথাও গুম করে দিয়েছে অথবা কোথাও আটকে রেখেছে।
অভিযুক্তের মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডাকা হয়। যুবকের মা জানান, ছেলে জোগাড়ের কাজ করে। মাটি কাটতে যাবে বলে পাশের বাড়ির মেয়েটাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। সাড়ে চারটে নাগাদ বাড়ি ফিরে আসে। তারপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। কোথায় যাচ্ছে সেটা বলেনি।
তিনি বলেন, "আমি আটকানোর চেষ্টা করেছি। কথা শোনেনি। আমি পরিচারিকার কাজ করি। সারাদিন বাইরেই থাকি। ছেলে কী করে না করে জানি না। ছেলে এরকম ছিল না।মদের নেশা হওয়ার পর থেকেই এ সমস্ত করছে। ওর স্ত্রী তিন বছর আগে ওকে ছেড়ে চলে গেছে। বাড়িতে আমরা স্বামী-স্ত্রী ছেলে আর নাতি থাকি।"
নাবালিকার খোঁজ পেতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তৎপরতা শুরু হয় পুলিশের। ডগ স্কোয়াড নিয়ে চন্দননগর পুলিশের ডিসিপি শ্রীরামপুর অর্নব বিশ্বাস,আইসি উত্তরপাড়া অমিতাভ সান্যাল সহ পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা কানাইপুরে যান।
প্রথমে স্নিফার ডগ নিয়ে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে যায়। সেখান থেকে নাবালিকার বাড়িতে। কানাইপুর কলোনি হরিসভা শহিদ বেদী হয়ে স্কুলের পিছনে একটি পুকুরপারে গিয়ে থমকে যায় স্নিফার ডগ। তারপরেই পুকুরে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।