
হুগলিতে সস্তায় আনাজ
শেষ আপডেট: 12 July 2024 21:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: কাঁচা আনাজের দাম কমাতে বাজারে বাজারে নজরদারির পর এবার ক্রেতাদের সুরাহা দিতে আনাজ বিক্রি শুরু করল জেলা প্রশাসন। হুগলি জেলা শাসকের দফতরের সামনে গাড়ি করে সব্জি বিক্রি শুরু হয়েছে। কম দামে আনাজ পেয়ে কিছুটা স্বস্তিতে ক্রেতারা।
হুগলি জেলা উদ্যান পালন দফতরের কৃষি ফার্ম রয়েছে। সেখানেই নানা ধরনের আনাজ চাষ হয়। বছরের বিভিন্ন সময় চাষ হয় পালংশাক,পেঁপে, বেগুন, বরবটি, ক্যাপসিকাম, টমেটো, শশা, ধনেপাতা। বর্ষায় পলি হাউসে আনাজ চাষ হয়েছে। এখানকার আনাজ তো রয়েইছে, পাশাপাশি সরাসরি চাষিদের থেকে কিনেও বিক্রি করা হচ্ছে আনাজ।
বাজারে যা দাম তার থেকে বেশ কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে নানা ধরনের আনাজ। পটল, ঝিঙে, কুমড়ো, পেঁপে ত্রিশ টাকা কিলো, পালংশাক চল্লিশ টাকা, শশা ৫০ টাকা। বেগুন আশি টাকা কিলো। আলু ২৮ টাকা, পিঁয়াজ ৩৮ টাকা কিলো। জেলা উদ্যান পালন দফতরের আধিকারিক ডঃ শুভদীপ নাথ জানান, সুফল বাংলার থেকেও কিলো প্রতি দু'টাকা কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে নানা ধরনের আনাজ।
তিনি বলেন, "কৃষি দফতর, উদ্যান পালন দফতর, কৃষি বিপণন দফতর ও সমবায় দফতরের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফার্মার প্রডিউসার কোম্পানি লিমিটেড (এফপিসি) এর মাধ্যমে আনাজ বিক্রি করা হচ্ছে। চাষির কাছ থেকে সরাসরি কিনে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করায় ফড়েদের কমিশন থাকছে না। ফলে কম দামে দিতে পারছে। প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত বিক্রি হবে আনাজ।"
গত কয়েক দিন ধরেই আনাজের অগ্নিমূল্য। বাজারে গিয়ে রীতিমতো ঘাম ছুটছে আম আদমির। পরিস্থিতি সামলাতে প্রশাসনের কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই দাম কমাতে বাজারে বাজারে অভিযান শুরু হয়। কোনও কোনও জায়গায় দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণেও এসেছে। এবার ক্রেতাদের সুরাহা দিতে আনাজ বিক্রিও শুরু হল।