
হুগলির জেলাশাসক মুক্তা আর্য
শেষ আপডেট: 20 November 2024 17:14
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: সরকারি অনুষ্ঠানে এসে পরিযায়ী পাখি দেখে মুগ্ধ হলেন জেলাশাসক। বললেন, পরিবেশ সুন্দর রাখলে জেলার অন্যত্রও আসবে পরিযায়ীদের দল।
সিঙ্গুরের বেড়াবেড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে জাতীয় সড়কের পাশেই গড়ে উঠেছে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র। মঙ্গলবার সেখানেই বিশ্ব শৌচাগার দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী বেচারাম মান্না, জেলাশাসক মুক্তা আর্য, বিধায়ক করবী মান্না সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের চারিদিক ঘুরে দেখছিলেন জেলাশাসক মুক্তা আর্য।
সে সময় তাঁর কানে আসে পাখিদের কলতান। জেলাশাসকের নজর যায় পাশের একটি ঝিলে। যেখানে শীতের শুরুতেই ঝাঁক বেঁধে চলে এসেছে পরিযায়ী পাখিদের দল। ঝিল জুড়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে শীতের অতিথিরা। কিচিরমিচির আওয়াজে মুখরিত হচ্ছে চারপাশ। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য উপভোগ করতে দেখা যায় হুগলির ডিএম মুক্তা আর্যকে।
এরপরই তিনি বলেন, "সিঙ্গুরে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশেই এই ঝিলটা অবস্থিত। লোকের মনে ধারণা আছে এই সমস্ত জিনিস হলেই দূষণ ছড়ায়, গন্ধ বের হয়। কিন্তু সেটা ঠিক নয়। এখানে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র। অথচ পাশের ঝিলে পাখিদের মেলা। দূষণ ছড়ালে পাখিরা কিছুতেই এখানে দলে দলে আসত না। "
এরপরেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সচেতন করেন মুক্তা আর্য। তিনি বলেন, " মানুষ যদি প্লাস্টিক, আনাজের খোসা, তরল একসাথে না মিশিয়ে সবুজ ও নীল বালতিতে আলাদা আলাদা করে রাখে তাহলে পরিবেশ ভাল হবে। হুগলির পরিবেশ ভাল হলে আরও বেশি পাখির আনাগোনা বাড়বে। এবং আমাদের পরিবেশ দূষণ মুক্ত হবে।"
স্থানীয় বাসিন্দারাও জানান,শীত পড়লেই পরিযায়ী পাখিরা আসে এই ঝিলে। সুন্দর লাগে দেখতে। তখন চারিদিকে শুধু কিচির মিচির আওয়াজ। বহু মানুষের ভিড় জমে ঝিলের পাড়ে এই পাখিদের টানে।