
বিরিয়ানির দোকানে পুরসভার হানা
শেষ আপডেট: 4 October 2024 20:16
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: হলুদ রঙের প্যাকেটের গায়ে সতর্কবার্তা লেখা। শুধু মাত্র শিল্পে ব্যবহারের জন্য, মানুষের খাওয়ার জন্য নয়। সেই রঙকে হলুদের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল কোন্নগরের চলচিত্রম মোড়ের কাছে একটি বিরিয়ানির দোকানে। এমনটাই অভিযোগ। শুক্রবার জরিমানা করে সেই বিরিয়ানির দোকান বন্ধ করে দিল কোন্নগর পুরসভা।
গত কয়েকদিন ধরে কোন্নগর অঞ্চলে পেটের রোগ নিয়ে অনেকেই ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিলেন। কেন পেটের রোগ জানতে পুরসভা খোঁজখবর শুরু করে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল জল থেকে হচ্ছে। তবে একইসঙ্গে শহরের ফাস্টফুডের দোকানগুলোতেও তল্লাশি শুরু করে পুরসভা। একটি বিরিয়ানির দোকানে গিয়ে পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা দেখেন হলুদ রঙ মেশানো হচ্ছে বিরিয়ানিতে। যে হলুদ রঙ মানুষের খাদ্যই নয়।
গেঞ্জিতে দেওয়ার হলুদ রঙ কেন ব্যবহার করা হচ্ছে? পুর আধিকারিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিরিয়ানির কারিগর গুলাম হোসেনের দাবি, "অন্য রঙই ব্যবহার করা হয়। সেই রঙ শেষ হয়ে যাওয়ায় শিল্পে ব্যবহার করার রঙ দেওয়া হয়েছে বিরিয়ানিতে। রং ছাড়া বিরিয়ানি কীভাবে হবে!"
পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন দাস বলেন, "মানুষকে বিষ খাওয়ানো হচ্ছে। এইসব ফাস্টফুডের দোকানের কোনও ফুড লাইসেন্স নেই। অখাদ্য কুখাদ্য খাইয়ে মানুষ মারার চক্র চলছে। এর বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। শুধু বিরিয়ানি নয় ফুচকাতেও চায়না কেমিক্যাল মেশানো হচ্ছে।"
শুধু কোন্নগর নয়, সর্বত্রই দশ হাত অন্তর বিরিয়ানির দোকান গজিয়ে উঠেছে। পুজোয় সেই সংখ্যা আরও বাড়বে। সেই সব দোকানে স্বাস্থ্য বিধি আদৌ মানা হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে এই ঘটনা।