
ভাঙা রাস্তায় দুর্ভোগ। নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 26 July 2024 13:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: অটো-টোটো যেতে চায় না। খানাখন্দে ভরা ঝাঁপ পুকুরের রাস্তা চলাচলেরও অযোগ্য। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে বা প্রসূতিদের নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া একরকম অসম্ভব।
রাস্তায় বড় বড় গর্ত হয়ে রয়েছে। অল্প বৃষ্টিতেই জল জমে যায়। সেই জল জমে থাকে সারা বছরই। কারণ নিচু রাস্তায় নিকাশি নর্দমাও জলে ভরে থাকে। ভারী বৃষ্টি হলে বাসিন্দাদের বাড়িতে জল ঢুকে যায়। তখন আর কষ্টের সীমা থাকে না।ডানলপ জিটি রোড থেকে ঝাঁপপুকুর হয়ে সাহাগঞ্জ যাওয়ার প্রায় চার কিমি দুটি রাস্তাই বেহাল। এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের কষ্টের কথা স্থানীয় কাউন্সিলর ও পুরসভাকে জানিয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু সুরাহা হয়নি।
হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের ঝাঁপ পুকুরের রাস্তা এক কথায় চলাচলের অযোগ্য। বাসিন্দারা জানান, যানবাহন ঢুকতে চায় না, ঢুকলেও দুর্ঘটনার কবলে পরে। কোনও প্রসূতিকে হাসপাতালে বা ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাওয়া খুবই কষ্টকর।
হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে এক মাত্র এই একটি ওয়ার্ড বামেদের দখলে রয়েছে। বাকি ২৯ টি তৃণমূলের।এক নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআইএম কাউন্সিলর বিপ্লব দাস বলেন, "ঝাঁপপুকুর এলাকার দুটি রাস্তা দিয়ে ব্যান্ডেল পঞ্চায়েত এবং পুরসভার এক ও দুই নম্বর ওয়ার্ডের মানুষজন যাতায়াত করেন। সেই রাস্তা বিপদজনক হয়ে রয়েছে। বিষয়টি পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে একাধিকবার জানানো হয়েছে। রাস্তাটা দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।"
পুরসভার পূর্ত দফতরের পুর-পারিষদ সৌমিত্র ঘোষ বলেন, "ওই অঞ্চলের মানুষ কষ্ট ভোগ করছেন, এটা জানি। আমরা গত বছর গিয়ে মাপজোখ করেছিলাম। প্যাচওয়ার্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। নিকাশি ব্যবস্থা ভালো না থাকায় রাস্তার উপর জল উঠে আবার রাস্তা খারাপ হয়। আমরা ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে কথা বলেছি। ওখানে পিচের রাস্তা করলে থাকবে না। তাই এই বর্ষাটা কেটে গিলেই আমরুত প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা ওখানে ঢালাই রাস্তা তৈরি করব।"