Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

অকালে চলে গেছেন স্ত্রী, মন্দিরে মূর্তি গড়ে তাঁকেই স্মরণ করেন কোন্নগরের চিকিৎসক

অকালে চলে গেছেন স্ত্রী, মন্দিরে মূর্তি গড়ে তাঁকেই স্মরণ করেন কোন্নগরের চিকিৎসক

শেষ আপডেট: 16 October 2023 19:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ২৯ বছর একসঙ্গে পথ হেঁটেছেন। তাই অকালে স্ত্রী চলে গেলেও হাত ছাড়তে পারেননি বর্ষীয়ান চিকিৎসক। স্ত্রীর কথা মনে রেখে মন্দির গড়ে সেখানে বসিয়েছেন তাঁকে। দেবীর মতোই সেখানে পুজো পান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ভবতোষ বিশ্বাসের স্ত্রী মিলি বিশ্বাস।

হুগলির কোন্নগরের বাসিন্দা চিকিৎসক ভবতোষ বিশ্বাস। নামী হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ তিনি। পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন দীর্ঘদিন। রোগমুক্তির পর বহু মানুষ তাঁকে ঈশ্বর জ্ঞান করেন। সেই ভবতোষবাবুই স্ত্রীর স্মৃতিতে মন্দির তৈরি করেছেন কোন্নগরের এসি দেব স্ট্রিটের বাড়ি লাগোয়া এলাকায়। মন্দিরের প্রথম তলায় রয়েছে তার স্ত্রীর মূর্তি। সঙ্গে দেবী দুর্গা। ওই মন্দিরে বিরাজ করেন রাধাকৃষ্ণ, জগন্নাথদেব, রামকৃষ্ণ-মা সারদা। নিত্যপুজো হয়। নিষ্ঠার সঙ্গে পুরোহিতরা একদিকে যেমন দেবী দুর্গা, মা কালীর পুজো করেন ঠিক তেমনি নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো পান চিকিৎসকের স্ত্রী মিলি।

 দেবী জ্ঞানে মা সারদাকে পুজো করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণদেব। মমতাজের স্মৃতিতে তাজমহল তৈরি করেছিলেন শাহজাহান। সে দুটো প্রসঙ্গই এসেছিল অনিবার্যভাবে। ভবতোষবাবু বলেন, “আমি শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ভক্ত। পরমহংসদেব ঈশ্বর। ওনার সঙ্গে আমার কোনও তুলনাই হতে পারে না। অন্যদিকে শাহজাহান সম্রাট। তাঁর ক্ষমতা-অর্থবল-লোকবলের ধারেকাছেও আমি নেই। যেটা করেছি তার পুরোটাই স্ত্রীর প্রতি আমার স্নেহ ও ভালবাসার প্রকাশ। দীর্ঘ ২৯ বছর আমাকে সবদিক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন আমার স্ত্রী। বিশ্বাস করি, এখনও ও আছে আমার পাশেপাশেই।”

 তিনি জানান, পরোপকারি মহিলা ছিলেন তাঁর স্ত্রী মিলি। মহিলাদের অগ্রগতির জন্য জীবন দিয়ে কাজ করে গেছেন। কোনও মহিলা সমস্যা নিয়ে এলেই তার সমাধান করার চেষ্টা করতেন। মন্দিরে যখন স্ত্রীর মূর্তি বসালেন তখন দারুণ খুশি হয়েছিলেন এলাকার মহিলারা। দেবীরূপে পূজিতা এই মূর্তির সামনে বসেই এখনও স্ত্রীর সাহচর্য অনুভব করেন ভবতোষবাবু। তাঁর কর্মকাণ্ডে শ্রদ্ধায় মাথা নত করেন এলাকার বাসিন্দারা।


```