Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

তাইল্যান্ডের গুহা থেকে ছেলেদের উদ্ধার করা নিয়ে বিগ বাজেটের ছবি বানাচ্ছে হলিউড

দ্য ওয়াল ব্যুরো : তাইল্যান্ডের গুহা থেকে কিশোর ফুটবলারদের উদ্ধারের কাজ তখন সবে শুরু হয়েছে, ঠিক সেই সময় গুহার মুখে পৌঁছে গিয়েছিলেন হলিউডের ফিল্ম প্রোডিউসার মাইকেল স্কট। সঙ্গে ছিলেন কো প্রোডিউসার অ্যাডাম স্মিথ। আটকে পড়া ছেলেদের আত্মীয়-স্বজনের

তাইল্যান্ডের গুহা থেকে ছেলেদের উদ্ধার করা নিয়ে বিগ বাজেটের ছবি বানাচ্ছে হলিউড

শেষ আপডেট: 12 July 2018 06:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো : তাইল্যান্ডের গুহা থেকে কিশোর ফুটবলারদের উদ্ধারের কাজ তখন সবে শুরু হয়েছে, ঠিক সেই সময় গুহার মুখে পৌঁছে গিয়েছিলেন হলিউডের ফিল্ম প্রোডিউসার মাইকেল স্কট। সঙ্গে ছিলেন কো প্রোডিউসার অ্যাডাম স্মিথ। আটকে পড়া ছেলেদের আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথা বলতে চেষ্টা করেছিলেন। যে ডাইভাররা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে গুহায় ঢুকেছিলেন, তাঁদেরও কয়েকজনের ইন্টারভিউ নিয়েছেন। ছেলেগুলো উদ্ধার হওয়ার আগেই প্রোডিউসার আর কো প্রোডিউসার মিলে ছকে নিয়েছিলেন, সিনেমাটা কেমন হবে। গত ২৩ জুন থাইল্যান্ডের সেই গুহায় ঢোকে ১২ জন কিশোর। সঙ্গে ছিলেন কোচ। উদ্দেশ্য ছিল অন্ধকার গুহায় ঢুকে অ্যাডভেঞ্চার করা। তারা গুহায় কিছুদূর ঢুকেছে, এমন সময় শুরু হল অঝোরে বৃষ্টি। হুড়হুড় করে জল ঢুকতে লাগল গুহায়। তাদের আর বেরিয়ে আসার উপায় রইল না। ছোট্ট একটা ঢিপির ওপরে জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে রইল সবাই। ছেলেগুলো আটকে পড়ার পরেই বিশ্ব জুড়ে সংবাদ মাধ্যমে খবর হয়ে যায়। কীভাবে তাদের উদ্ধার করা হচ্ছে, আদৌ উদ্ধার করা যাবে কিনা, সেই নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা যায় নানা মহলে। তখনই হলিউডের প্রযোজকরা বুঝে নেন, এই বিষয়ের ওপরে ফিল্ম বানালে হিট করবে। তাঁদেরই একজন, মাইকেল স্কট বাকিদের টেক্কা দিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন গুহার মুখে। তিনি পিওর ফ্লিক্স নামে এক প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। তাদের হেড অফিস আমেরিকার অ্যারিজোনায়। এখন তাঁরা উদ্ধার হওয়া ছেলেগুলি এবং ত্রাণকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাদের বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে চলচ্চিত্রের স্বত্ব কিনে নেবেন।  তা হলে ওই ঘটনা নিয়ে আর কেউ ফিল্ম বানাতে পারবে না। একইসঙ্গে ছবির চিত্রনাট্য লেখার জন্য ভালো স্ক্রিপ্ট রাইটারেরও খোঁজ চলছে।

```