মামলাকারীর এও দাবি ছিল, এসআইআরের সময়সীমা (Deadline) বৃদ্ধি করা হোক। পাশাপাশি এও জানতে চাওয়া হয়েছিল যে - কেন এসআইআর করা হচ্ছে, এসআইআর করার প্রয়োজন কী, তা বিস্তারিতভাবে আদালতের কাছে জানাক নির্বাচন কমিশন।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 6 November 2025 13:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে এসআইআর (West Bengal SIR) সংক্রান্ত কাজ শুরু হওয়ার পরই কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা হয়েছিল। আবেদনকারীর মূল দাবি ছিল, আদালতের নজরদারিতে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া হোক। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই কমিশনের থেকে রিপোর্ট চাইল রাজ্যের উচ্চ আদালত।
গত ৪ নভেম্বর থেকে বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম (Enumeration Form) নিয়ে যাচ্ছেন বিএলও-রা (BLO)। তার মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি হয়েছে। তাতে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এসআইআর করার ক্ষেত্রে কী দেখা হচ্ছে, সেটা জানাতে হবে কমিশনকে। আগামী ১৯ তারিখের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে তাঁদের।
মামলাকারীর এও দাবি ছিল, এসআইআরের সময়সীমা (Deadline) বৃদ্ধি করা হোক। পাশাপাশি এও জানতে চাওয়া হয়েছিল যে - কেন এসআইআর করা হচ্ছে, এসআইআর করার প্রয়োজন কী, তা বিস্তারিতভাবে আদালতের কাছে জানাক জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। এছাড়া ২০০২ সালের ভোটার তালিকা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করুক তারা, এই আর্জিও করা হয়। এখন দেখার কমিশন তাদের রিপোর্টে কী বলে।
ভোটারদের নির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ এবং ফর্ম ফিল-আপ করার কাজ চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা (Draft Voter List) প্রকাশ পাবে। ঠিক এর পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে অভিযোগ জমা নেওয়ার পর্ব। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন ধাপে অভিযোগ সংক্রান্ত শুনানি হবে।
যারা কোনও কারণবশত ফর্ম ফিল-আপ করতে পারবেন না, বা যাদের বাড়িতে গিয়ে বিএলও-রা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পাবে না অথবা অন্য কোনও কারণে এনুমারেশন ফর্ম ফিল-আপ হবে না, তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইআরও ও এইআরওর নেতৃত্বে এই শুনানি সম্পন্ন হবে। আপিলের সুযোগও থাকছে - প্রথমে জেলা শাসকের কাছে, পরের ধাপে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের কাছে।
রাজ্যজুড়ে মোট ৮০ হাজার ৬৮১ জন বিএলও (BLO) মাঠে নেমেছেন। সঙ্গে রয়েছেন অতিরিক্ত ১৪ হাজার কর্মী। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র মিলিয়ে ভোটারদের হাতে পৌঁছবে ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম - যার দ্বিগুণ সংখ্যায় ফর্ম ছাপানো হয়েছে।