Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের ডিজিটাল স্বাক্ষরের অপব্যবহার! ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের স্কুলগুলোতে গ্ৰুপ সি ও গ্ৰুপ ডি নিয়ে দুর্নীতির মামলার চলছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। তার মধ্যেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যামের স্বাক্ষর ইচ্ছেমতো ব্যবহারের অভিযোগ উ

স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের ডিজিটাল স্বাক্ষরের অপব্যবহার! ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

শেষ আপডেট: 25 February 2022 04:45

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের স্কুলগুলোতে গ্ৰুপ সি ও গ্ৰুপ ডি নিয়ে দুর্নীতির মামলার চলছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। তার মধ্যেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যামের স্বাক্ষর ইচ্ছেমতো ব্যবহারের অভিযোগ উঠল! কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চে চলছে এই মামলা। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে উঠে এল এমনই তথ্য। জানা গেছে, স্কুল কমিশনের চেয়ারম্যানের ডিজিটাল স্বাক্ষর ইচ্ছেমতো ব্যবহার করে পছন্দের প্রার্থীদের সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। যা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এদিনের মামলায় ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চ। জানায়, এই দুর্নীতির শিকড় অনেক গভীরে আছে। সামনে আসছে নানান বিস্ময়কর তথ্য। প্রসঙ্গত, এদিনই ডিভিশন বেঞ্চ গ্রুপ-ডি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে অনুসন্ধান কমিটিকে। এই কমিটির রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করবে ৫৭৩ জনের ভবিষ্যৎ। যারা ইতিমধ্যেই চাকরি যোগ দিয়েছেন। যদি দুর্নীতি সামনে আসে তাহলে এখনও পর্যন্ত পাওয়া সমস্ত বেতন ফেরত দিতে হবে তাঁদের। কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতেই এদিন শুনানি চলে। সেই শুনানিতে হাইকোর্ট জানায়, একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে প্রমাণ মিলেছে। কমিশনের সুপারিশ দেওয়ার তথ্যের মধ্যে গরমিল আছে। তবে আদালতে যেসব সুপারিশপত্র জমা পড়েছে তাতে কমিশনের চেয়ারম্যানের ডিজিটাল স্বাক্ষর আছে। এখানেই প্ৰশ্ন উঠছে, যদি কমিশনের কথা মত তাদের তরফে কোনও সুপারিশ দেওয়া হয়নি তা মেনে নেওয়া হয়, তাহলে এই সুপারিশ কে বা কারা দিল? চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর কীভাবে উঠে আসছে সুপারিশপত্রে? প্ৰশ্ন একাধিক উত্তর খুঁজছে হাইকোর্ট।

```