দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের স্কুলগুলোতে গ্ৰুপ সি ও গ্ৰুপ ডি নিয়ে দুর্নীতির মামলার চলছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। তার মধ্যেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যামের স্বাক্ষর ইচ্ছেমতো ব্যবহারের অভিযোগ উঠল!
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চে চলছে এই মামলা। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে উঠে এল এমনই তথ্য। জানা গেছে, স্কুল কমিশনের চেয়ারম্যানের ডিজিটাল স্বাক্ষর ইচ্ছেমতো ব্যবহার করে পছন্দের প্রার্থীদের সুপারিশ দেওয়া হয়েছে।
যা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এদিনের মামলায় ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চ। জানায়, এই দুর্নীতির শিকড় অনেক গভীরে আছে। সামনে আসছে নানান বিস্ময়কর তথ্য।
প্রসঙ্গত, এদিনই ডিভিশন বেঞ্চ গ্রুপ-ডি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে অনুসন্ধান কমিটিকে। এই কমিটির রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করবে ৫৭৩ জনের ভবিষ্যৎ। যারা ইতিমধ্যেই চাকরি যোগ দিয়েছেন। যদি দুর্নীতি সামনে আসে তাহলে এখনও পর্যন্ত পাওয়া সমস্ত বেতন ফেরত দিতে হবে তাঁদের।
কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতেই এদিন শুনানি চলে। সেই শুনানিতে হাইকোর্ট জানায়, একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে প্রমাণ মিলেছে। কমিশনের সুপারিশ দেওয়ার তথ্যের মধ্যে গরমিল আছে। তবে আদালতে যেসব সুপারিশপত্র জমা পড়েছে তাতে কমিশনের চেয়ারম্যানের ডিজিটাল স্বাক্ষর আছে।
এখানেই প্ৰশ্ন উঠছে, যদি কমিশনের কথা মত তাদের তরফে কোনও সুপারিশ দেওয়া হয়নি তা মেনে নেওয়া হয়, তাহলে এই সুপারিশ কে বা কারা দিল? চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর কীভাবে উঠে আসছে সুপারিশপত্রে? প্ৰশ্ন একাধিক উত্তর খুঁজছে হাইকোর্ট।