দুই বিচারপতির কড়া পর্যবেক্ষণ, “এ ধরনের মামলার মাধ্যমে শুধু আদালতের সময় নষ্ট হচ্ছে। এটা বরদাস্ত করা যায় না।” সেই কারণেই মামলাকারী সব্যসাচী দত্তকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কার্তিক মহারাজ ও সব্যসাচী দত্ত।
শেষ আপডেট: 10 September 2025 16:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিঘায় জগন্নাথ মন্দির নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj)। সেই মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু বিতর্ক।
তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত (Sabyasachi Dutta) হাইকোর্টে মানহানির মামলা দায়ের করেন মহারাজের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়ে দিল, এই মামলার কোনও আইনগত ভিত্তি নেই। শুধু মামলা খারিজই নয়, মামলাকারীকে ১১ হাজার টাকা জরিমানাও করলেন বিচারপতিরা।
বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, মামলাটি একেবারেই ভিত্তিহীন এবং আদালতের সময় নষ্ট করার শামিল। আদালতের পর্যবেক্ষণ, কার্তিক মহারাজ একজন সন্ন্যাসী ও জনসেবায় যুক্ত ব্যক্তি। তাঁর বক্তব্য রাজনৈতিক হতে পারে, কিন্তু তা সরাসরি মানহানির পর্যায়ে পড়ে না। তাই এমন মামলার কোনও ‘মেরিট’ নেই বলেই মত বিচারপতিদের।
দুই বিচারপতির কড়া পর্যবেক্ষণ, “এ ধরনের মামলার মাধ্যমে শুধু আদালতের সময় নষ্ট হচ্ছে। এটা বরদাস্ত করা যায় না।” সেই কারণেই মামলাকারী সব্যসাচী দত্তকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে আদালতের এই রায়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চর্চা। বিরোধীদের একাংশের মতে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করতে একের পর এক মামলা দায়ের হচ্ছে। তবে আদালতের এই রায় সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের অধিকারকে আরও জোরাল করল বলেই মত বহু জনের।