
শেষ আপডেট: 4 February 2020 15:03
গর্ভপাত করাতে চেয়ে ওই নাবালিকার মা একটি আবেদন করেছিলেন। মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি অ্যাক্ট অনুয়ায়ী ২০ সপ্তাহ পার হয়ে গেলে গর্ভপাত করানো যায় না।
অশ্বিনী মধুকর ও প্রাচী নির্বাণ নামে দুই কৌঁসুলির সহায়তায় তিনি মামলাটি দায়ের করেছিলেন এবং সেখানে বলেছিলেন তাঁর মেয়ে নাবালিকা (টিনএজার) হওয়ায় এই গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে।
সরকারি আইনজীবী কামনা ভোরা বলেন, কোনও মেডিক্যাল বোর্ডকে দিয়ে ওই নাবালিকাকে পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিতে পারে আদালত।
আবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসরা ২৫ জানুয়ারি ওই নাবালিকাকে পরীক্ষা করে দেখেন যে সে ২৪ সপ্তাহের প্রসূতি। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, ২০ সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার জন্য গর্ভপাত করাতে গেলে আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন।
দিল্লির স্বরূপনগর থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানানো হয়েছে যা এই মামলার সঙ্গে যুক্ত।
গত সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা একটি প্রস্তাব পাস করেছে যেখানে বলা হয়েছে ‘বিশেষ শ্রেণিভুক্ত মহিলা’র ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত করানো যেতে পারে যার মধ্যে ধর্ষিতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও এই পর্যায়ের মধ্যে রাখা হয়েছে বিশেষ ভাবে সক্ষম, নাবালিকা ও সামাজিক ভাবে যাঁরা সমস্যায় পড়তে পারেন (অগম্যা) – তাঁদেরও।
মেডিক্যাল টার্মিনেশন অব প্রেগন্যান্সি অ্যাক্ট ১৯৭১ –বদল করে মেডিক্যাল টার্মিনেশন অব প্রেগন্যান্সি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২০-তে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।