.jpeg)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 31 March 2025 12:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী ৬ এপ্রিল রামনবমী। অতীতে রাম নবমীর দিন (Ram Navami) রাজ্যে একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এবারেও তার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না শাসক, বিরোধী থেকে রাজ্য প্রশাসন। ইতিমধ্যে নবান্নের তরফে একগুচ্ছ নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। সোমবার রেড রোডে ইদের নমাজ থেকে সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে হিন্দুদের অধিকার রক্ষার দাবিতে ৬ এপ্রিল সকলকে রাস্তায় নামার ডাক দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর দাবির সমর্থনে সোমবার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ থেকে শ্যাম বাজার, সর্বত্র বড় বড় পোস্টারও দেখা গেল। সব মিলিয়ে রামনবমীকে ঘিরে ক্রমেই চড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ।
এই উত্তেজনা শুধু কলকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। জেলায় জেলায়ও উত্তেজনার পারদ চড়ছে। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম, যেখানকার বিধায়ক বিরোধী দলনেতা, সেখানে এবারে ৬ এপ্রিল রাম নবমীর দিন রাম মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন শুভেন্দু। একইভাবে জেলায় জেলায় গেরুয়া শিবিরের তরফে রয়েছে একাধিক কর্মসূচি।
অন্যদিকে শাসকদলের বক্তব্য, বারে বারে ভোটে পরাজিত হয়ে হতাশা থেকেই উগ্র হিন্দুত্বের রাজনীতি শুরু করেছে পদ্মশিবির। অনেকের মতে, ২৬ এর বিধানসভা ভোটের আগে হিন্দুত্বের প্রশ্নে বাংলায় বিজেপি যে আরও আগ্রাসী মনোভাবের দিকে এগোবে তা স্পষ্ট। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য., যেভাবে রাজ্যজুড়ে হিন্দুদের তোষণ হচ্ছে তাতে তাদের ঐক্যবদ্ধ করা জরুরি। সে কারণেই এই কর্মসূচি।
এবারে রাম নবমীর আগের দিন অর্থাৎ ৫ এপ্রিল থেকে ৯ এপ্রিল, টানা ৫ দিনে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, মোথাবাড়ির প্রসঙ্গ টেনে কয়েকদিন আগে শুভেন্দু এও বলেছেন, "পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে তাতে রাম নবমীতে বহু জায়গায় মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন। তাই বাংলায় অবিলম্বে রাষ্ট্রপতি শাসন জরুরি।"
পাল্টা হিসেবে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, "বিজেপির মূল উদ্দেশ্য বাংলায় অশান্তির আবহ তৈরি করা। সেজন্যই ওরা লাফালাফি করছে। তবে ওদের প্ররোচনায় মানুষ পা দেবেন না।"
যেভাবে এখন থেকেই রাজনৈতিক উত্তেজনা চড়তে শুরু করেছে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে প্রশাসনও।