খবর পেয়ে বাগদা থানার পুলিশ স্কুলে পৌঁছলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হিমশিম খায়। পুলিশ যখন অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল থেকে বের করে নিয়ে যেতে চায়, তখন ছাত্রছাত্রীরা তাঁকে ঘিরে ফেলে।

নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 15 September 2025 16:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্রীর (Schoolgirls) সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠল স্কুল সহ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে (Asst Head Master)। ঘটনার জেরে সোমবার তীব্র উত্তেজনা ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ব্লকের হেলেঞ্চা উচ্চ বিদ্যালয়ে(Bagda School)।
অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক এর আগেও একাধিকবার ছাত্রীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত আচরণ করেছেন। কিন্তু এবার প্রতিবাদে গর্জে ওঠে পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, ছাত্রছাত্রীদের ধাক্কাধাক্কিতে মাথা ফেটে যায় ওই শিক্ষকের। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার ওই স্কুলে ছিল পরীক্ষা। কিন্তু তার তোয়াক্কা না করে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীরা বিক্ষোভ শুরু করে স্কুল চত্বরে। তাদের সঙ্গে দ্রুত যোগ দেয় অন্যান্য শ্রেণির পড়ুয়ারাও। অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রীদের অশালীন মন্তব্য করে আসছিলেন। একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী সম্প্রতি সেই অভিজ্ঞতা জানিয়ে প্রতিবাদ করলে, বাকিদের মধ্যেও ক্ষোভ জমতে শুরু করে। শেষমেশ তা এদিন বিক্ষোভের আকার নেয়।
খবর পেয়ে বাগদা থানার পুলিশ স্কুলে পৌঁছলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হিমশিম খায়। পুলিশ যখন অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল থেকে বের করে নিয়ে যেতে চায়, তখন ছাত্রছাত্রীরা তাঁকে ঘিরে ফেলে। অভিযোগ, হাতাহাতির মধ্যেই একাধিক পড়ুয়ার মারধরে মাথা ফেটে যায় ওই শিক্ষকের।
পরে ছাত্রছাত্রীরা থানার সামনেও অবস্থান বিক্ষোভে বসে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে।
যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত সহ প্রধান শিক্ষক। তাঁর বক্তব্য, “আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। সহ প্রধান শিক্ষক হওয়ার কারণে কিছু শিক্ষক ও স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী আমাকে ফাঁসাতে চাইছে। এটা একটা পরিকল্পিত চক্রান্ত।”
এদিকে ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, “স্কুলের মতো পবিত্র স্থানে কীভাবে এমন ঘটনা ঘটতে পারে?”