
শেষ আপডেট: 29 November 2022 06:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৪ বছরের নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছিল ৪ নাবালক। গণধর্ষণের (gang rape) পর কিশোরীকে সেখানেই ফেলে রেখে চম্পট দেয় তারা। সেই অবস্থায় রাস্তা দিয়ে যাওয়া এক প্রৌঢ়কে দেখে তাঁর কাছে সাহায্যের আশায় ছুটে গিয়েছিল কিশোরী। কিন্তু সাহায্য তো দূর, সব জানার পর সেই প্রৌঢ়ের হাতে ফের ধর্ষণের শিকার হল নির্যাতিতা কিশোরী। পরে জানা যায়, ওই প্রৌঢ় একটি প্রাথমিক স্কুলের স্কুলের প্রধান শিক্ষক (headmaster rapes teen)!
ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) কাইমুর জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, ১৪ বছর বয়সি কিশোরী বাড়ি থেকে বেরোনোর পর তাকে জোর করে তুলে পাহাড়ের কাছে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় ৪ নাবালিকা। তাদের মধ্যে দুজন ওই নাবালিকার সহপাঠী। সেখানেই একে একে কিশোরীকে গণধর্ষণ করে ৪ কিশোর।
নির্যাতিতা জানিয়েছে, যাতে তার চিৎকার কারও কানে না যায় তা নিশ্চিত করতে ১ জন নাবালক সারাক্ষণ তার মুখ হাত দিয়ে চেপে রেখেছিল। সেই সময়েই ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল ৫৫ বছর বয়সি ওই প্রধান শিক্ষক। গণধর্ষণের ঘটনা তার চোখে পড়া মাত্রই কিশোরীকে সেখানে ফেলে রেখে চম্পট দেয় ৪ নাবালক। নির্যাতিতা কিশোরী সাহায্যের আশায় ওই শিক্ষকের কাছে যায়। কিন্তু উল্টে ওই ব্যক্তি ফের ধর্ষণ করে নাবালিকাকে।
ধর্ষণের পর নাবালিকাকে তার বাড়িতে ছেড়ে দিয়ে আসে অভিযুক্ত শিক্ষক। নির্যাতিতার বাবা-মাকে সে বলে, ৪ জন মিলে গণধর্ষণ করেছে তাঁদের মেয়েকে। তিনিই তাকে উদ্ধার করেছেন। যদিও অভিযুক্ত চলে যাওয়ার পর বাড়ির লোককে সব কথা খুলে বলে নাবালিকা। এরপরেই গত শনিবার মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা কিশোরীর বাড়ির লোক। চিকিৎসার জন্য কিশোরীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে ওই প্রধান শিক্ষককে শনিবারই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ঘটনায় জড়িত আরও এক নাবালককে গ্রেফতার করে রিমান্ড হোমে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতিতা ও ধৃত দুই অভিযুক্তের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।