Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

বেহালায় বাবা-মেয়ের ঝুলন্ত দেহ! 'ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছি' বলে ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন

পর্ণশ্রী থানা এলাকার শকুন্তলা পার্কের ঘটনা।

বেহালায় বাবা-মেয়ের ঝুলন্ত দেহ! 'ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছি' বলে ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন

বাবা-মেয়ের ছবি।

শেষ আপডেট: 1 March 2025 08:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্যাংরায় একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু রহস্যের মধ্যেই এবার বেহালার ( behala) দোকান থেকে উদ্ধার হল বাবা-মেয়ের ঝুলন্ত দেহ। পর্ণশ্রী থানা এলাকার শকুন্তলা পার্কের ঘটনা।

খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে ওই দোকান থেকে বাবা-মেয়ের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতরা হলেন, স্বজন দাস (৫৩) ও সৃজা দাস (২২)। কী কারণে মৃত্যু তা স্পষ্ট নয়। 

সূত্রের খবর, স্বজনবাবুর মেয়ে সৃজা অটিজমে আক্রান্ত ছিলেন। রাজ্যের বাইরে নিয়ে গিয়েও মেয়ের চিকিৎসা করেছিলেন। তাতেও সুস্থ না হওয়াতেই মানসিক অবসাদ থেকে চরম সিদ্ধান্ত নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানার নুঙ্গি এলাকায় থাকতেন স্বজনবাবু। পেশায় চিমনি ফিল্টারের ব্যবসায়ী স্বজনবাবুর অফিস ছিল শকুন্তলা পার্কে। পুলিশের কাছে তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুর ১টা নাগাদ মেয়েকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন স্বজনবাবু।

ঘটনায় হতচকিত প্রতিবেশীরা। ব্যবসা ক্ষেত্রে বা নিজের বাড়ি, দুটি এলাকার বাসিন্দারাই জানিয়েছেন, স্বজনবাবু নির্বিবাদী মানুষ ছিলেন। সেক্ষেত্রে মেয়ের অসুস্থতা থেকেই মানসিক অবসাদের আশঙ্কা জোরাল হচ্ছে।

মেয়ে ও স্বামীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন স্বজনবাবুর স্ত্রী। তিনি বলেন, "আমাকে বলেছিল মেয়েকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাচ্ছে। দুপুর পেরিয়ে সন্ধে নামলেও ওরা ফেরেনি। খোঁজখবর করতে গিয়ে জানতে পারি,..."।


```