Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

কলকাতার সিঁথির মোড়ের কুয়ো থেকে উদ্ধার সোনার কারিগরের দেহ! খুনের অভিযোগ পরিবারের

কলকাতায় কাজ করতে এসে সোনার কারিগরের অস্বাভাবিক মৃত্যু। কুয়ো থেকে পাওয়া গেল যুবকের লাশ। এই ঘটনাকে 'খুন' বলে দাবি করেছে মৃতের পরিবার।

কলকাতার সিঁথির মোড়ের কুয়ো থেকে উদ্ধার সোনার কারিগরের দেহ! খুনের অভিযোগ পরিবারের

শেষ আপডেট: 18 December 2023 17:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর: কলকাতায় কাজ করতে এসে সোনার কারিগরের অস্বাভাবিক মৃত্যু। কুয়ো থেকে পাওয়া গেল যুবকের লাশ। এই ঘটনাকে 'খুন' বলে দাবি করেছে মৃতের পরিবার। মৃত যুবকের নাম সুমন মাইতি। বেশ কয়েকবছর ধরে কলকাতার সিঁথির মোড়ে সোনার দোকানে কারিগরের কাজ করতেন ২৪ বছরের এই যুবক। আদতে তাঁর বাড়ি মহিষাদল থানার এলাকার বাগদায়। 

ছেলের মৃত্যুর খবর মেদিনীপুরের বাড়িতে পৌঁছতে শোকে ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। সুমনের বাবা জানিয়েছেন, তাঁর দুই মেয়ে, এক ছেলে। সংসারের হাল ধরতে একমাত্র ছেলে সুমন কলকাতায় সোনার দোকানে কাজ করতেন। মাঝে মধ্যে ছুটি পেলে বাড়িতে আসতেন। বিয়ের মরশুম চলায় তিনি কাজে ব্যস্ত থাকতেন। তাই বাড়িতে আসেননি অনেকদিন হল।  সুমন কলকাতায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেখানে আরও কয়েকজন থাকত।

মৃতের জামাইবাবু জানিয়েছেন, রবিবার সুমনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার আগে সুমনের ফোনে কেউ ফোন করেছিল। তিনি কথা বলতে বলতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। বহুক্ষণ বাড়িতে ফেরেননি। তাই সুমনের সঙ্গে যারা থাকেন, তারা এদিক ওদিক খুঁজতে বের হন। এর পরেই একটি কুয়োর কাছাকাছি জায়গায় সুমনের ফোন ও চটি পাওয়া যায়। তাতে সন্দেহ হয় তাঁদের। ওই কুয়োর কাঁটা ফেলেন তাঁরা। সেখানে সুমনের হাতের চুরির সঙ্গে কাঁটাটি আটকে যায়। ওই কুয়ো থেকেই যুবকের মৃতদেহ মেলে। 

পরিবারের লোকজন বলছেন, কীভাবে ওই কুয়োয় সুমন পড়ে গেল, তা ভেবেই কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছেন না তাঁরা। এলাকায় কোনও শত্রু ছিল নেই ছেলের। হতে পারে কর্মস্থলেই কারও সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। তার জেরে ছেলেকে খুন করে দেহ লোপাট করতে কুয়োয় ফেলে দিয়ে থাকতে পারে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করলেই আসল রহস্য উদ্‌ঘাটন হবে।


```