
শেষ আপডেট: 18 December 2023 17:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর: কলকাতায় কাজ করতে এসে সোনার কারিগরের অস্বাভাবিক মৃত্যু। কুয়ো থেকে পাওয়া গেল যুবকের লাশ। এই ঘটনাকে 'খুন' বলে দাবি করেছে মৃতের পরিবার। মৃত যুবকের নাম সুমন মাইতি। বেশ কয়েকবছর ধরে কলকাতার সিঁথির মোড়ে সোনার দোকানে কারিগরের কাজ করতেন ২৪ বছরের এই যুবক। আদতে তাঁর বাড়ি মহিষাদল থানার এলাকার বাগদায়।
ছেলের মৃত্যুর খবর মেদিনীপুরের বাড়িতে পৌঁছতে শোকে ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। সুমনের বাবা জানিয়েছেন, তাঁর দুই মেয়ে, এক ছেলে। সংসারের হাল ধরতে একমাত্র ছেলে সুমন কলকাতায় সোনার দোকানে কাজ করতেন। মাঝে মধ্যে ছুটি পেলে বাড়িতে আসতেন। বিয়ের মরশুম চলায় তিনি কাজে ব্যস্ত থাকতেন। তাই বাড়িতে আসেননি অনেকদিন হল। সুমন কলকাতায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেখানে আরও কয়েকজন থাকত।
মৃতের জামাইবাবু জানিয়েছেন, রবিবার সুমনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার আগে সুমনের ফোনে কেউ ফোন করেছিল। তিনি কথা বলতে বলতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। বহুক্ষণ বাড়িতে ফেরেননি। তাই সুমনের সঙ্গে যারা থাকেন, তারা এদিক ওদিক খুঁজতে বের হন। এর পরেই একটি কুয়োর কাছাকাছি জায়গায় সুমনের ফোন ও চটি পাওয়া যায়। তাতে সন্দেহ হয় তাঁদের। ওই কুয়োর কাঁটা ফেলেন তাঁরা। সেখানে সুমনের হাতের চুরির সঙ্গে কাঁটাটি আটকে যায়। ওই কুয়ো থেকেই যুবকের মৃতদেহ মেলে।
পরিবারের লোকজন বলছেন, কীভাবে ওই কুয়োয় সুমন পড়ে গেল, তা ভেবেই কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছেন না তাঁরা। এলাকায় কোনও শত্রু ছিল নেই ছেলের। হতে পারে কর্মস্থলেই কারও সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। তার জেরে ছেলেকে খুন করে দেহ লোপাট করতে কুয়োয় ফেলে দিয়ে থাকতে পারে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করলেই আসল রহস্য উদ্ঘাটন হবে।