
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 28 February 2025 17:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ (Bidhannagar Illegal construction) বৃহস্পতিবার বিধাননগর এলাকার ৬জন প্রোমোটারকে নোটিস ধরিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, বেআইনিভাবে ওই নির্মাণগুলি তৈরি করা হচ্ছিল।
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এ ব্যাপারে পুলিশের বিরুদ্ধেই বড় অভিযোগ আনল বিজেপি। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, "ওসব নোটিস লোক দেখানো! আসলে ফান্ড কালেকশনের জন্য পুলিশ প্রোমোটারদের চমকাচ্ছে। টাকা পেয়ে গেলেই সব চুপচাপ হয়ে যাবে।"
বছরের শুরুতে কলকাতা শহরে একাধিক বাড়ি হেলে পড়ার ঘটনা ঘটছে। বাঘাযতীন, ট্যাংরা, এন্টালি, তপসিয়া, ভবানীপুর থেকে বিধাননগর। শুধু বাড়ি হেলে পড়াই নয়, এ সব ঘটনার সঙ্গে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগও উঠেছে।
দিলীপের বক্তব্য, "এই যে শহরের বুকে এত বেআইনি নির্মাণ হয়েছে বা হচ্ছে, পুলিশ কী তা জানে না?" এ প্রসঙ্গে গত বছরের মাঝামাঝি শহরে হওয়া হকার উচ্ছেদের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন দিলীপ। তাঁর কথায়, "ভোটের মুখে কলকাতায় লোক দেখানো হকার উচ্ছেদ করা হল। তারপর ৮ মাস হতে চলল। সব আবার যে কে সেই। ফলে পুলিশ প্রশাসনের মদত ছাড়া এগুলো হচ্ছে, এমনটা কেউ বিশ্বাস করে না।"
যদিও বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ৬ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে বেআইনি নির্মাণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এসেছে। তারই ভিত্তিতে নোটিস ধরানো হয়েছে। এর আগে নোটিস টাঙানোর পর তা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে।
প্রসঙ্গত, বহুতল বিতর্কে রাশ টানতে এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে আগামীদিনে ফের কোনও বহুতল হেলে পড়লে বা বেআইনি নির্মাণ ঠেকাতে কী কী পদক্ষেপ করা যায়, তা ঠিক করতে খড়্গপুর আইআইটির বিশেষজ্ঞ নিয়ে বিশেষ কমিটি গড়েছে রাজ্য।
নবান্ন সূত্রের খবর, কোথাও বেআইনিভাবে নির্মাণের অভিযোগ উঠলে এখন থেকে এই কমিটি সেই অভিযোগের তদন্ত করবে। এমনকী কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যাবে, তা নিয়ে প্রযুক্তিগত মতামতও দেবেন কমিটির সদস্যরা। সূত্রের দাবি, নবান্নের তৎপরতা দেখেই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে এবার সক্রিয় হয়েছে পুলিশও।