
শেষ আপডেট: 3 March 2025 11:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুরের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে ছাত্র ধর্মঘটে সামিল ছাত্র ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া। সমর্থন করেছে বাকি বাম শরিক সংগঠনগুলি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সকাল থেকেই জমায়েত শুরু করেছেন বাম ছাত্ররা। কোথাও তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও তাঁদের বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তে দেখা গিয়েছে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
৪ নম্বর গেটের কাছে সকাল থেকে ভিড় জমাতে শুরু করেন এসএফআই ও এআইডিএসও-র কর্মীরা। শুরু হয় স্লোগান, পিকেটিং। এক এসএফআই কর্মী জানান, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর পদত্যাগ, আইসিসি ইলেকশন ও ইউনিয়ন ইলেকশন সঙ্গে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার দাবিতে আজ আন্দোলন করা হচ্ছে। কলেজ -বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে। বনধ সফল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
উচ্চমাধ্যমিক শুরুর দিন এমন কর্মসূচি! এই প্রসঙ্গে ওই এসএফআই নেতা জানান, যদি রাজ্যস্তরে ফেসবুকের পেজ দেখেন, দেখতে পাবেন গতকাল রাতে একটা পোস্ট করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়াদের কেউ যদি কোনও সমস্যায় পড়েন তাহলে ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে আমরা সাহায্য করব।
বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়
সকাল সকাল তুলকালাম পরিস্থিতি হয় বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে। ডিএসও-র কর্মীরা জমায়েত করলে তা সরাতে পৌঁছয় পুলিশ। ধস্তাধস্তি হয়। জোর করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ জানান ডিএসও কর্মীরা।
মেদিনীপুর কলেজ
এসএফআই জমায়েত শুরু করলে তাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরে হাতাহাতিও হয়ে বলে জানা যায়।
কোচবিহার
উত্তরবঙ্গের চিত্রটাও খানিকটা একরকম। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে গেলে বাধা দেওয়া হয় বাম ছাত্রদের। তাঁদের এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
উচ্চমাধ্যমিক শুরুর দিন এমন ছাত্র ধর্মঘট নিয়ে রবিবারই সাংবাদিক বৈঠক করেন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও পরীক্ষার্থীর যাতে এতটুকু সমস্যা না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হবে। বাড়তি পুলিশ থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ও চত্বরে।