দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটি ছেলের (boy) বিপরীত লিঙ্গের (opposite sex) কেউ অর্থাত্ কোনও মেয়ে (girlfriend) বন্ধু থাকতে পারে। কিন্তু সেজন্য বন্ধুত্বের অছিলায় মেয়েটির ওপর যৌন লালসা (sexual desire) মেটাতে পারে না সে! ছেলেটি যেন এটা ভেবে না বসে যে, বন্ধু বলে মেয়েটি তার যৌন খিদে মেটানোর সামগ্রী। বিশেষ নাবালক যৌন নির্যাতন রোধ আদালত (পকসো) আদালত (pocso court) এক রায়ে ২০ বছরের একটি ছেলেকে ১৩ বছরের বান্ধবী, দূর সম্পর্কের আত্মীয়াকে ধর্ষণের দায়ে দোষী ঘোষণা করে একথা জানিয়েছে। বলেছে, দোষী ছেলেটির এহেন অপরাধে মেয়েটির জীবন (life) তো বিপর্যস্ত হয়েইছে, তার নিজের জীবনেও এত অল্প বয়সে বিপদ (danger) নেমে এসেছে। ছেলেটির ১০ বছর কারাবাস (jail) হয়েছে।
বিশেষ বিচারক প্রীতি কুমার ঘুলে বলেন, অভিযুক্তকে দোষী ঘোষণার রায়ে আজকের যুবসমাজের কাছে একটা স্পষ্ট বার্তা যাবে, যারা অভিযুক্তেরই সমবয়সী। সেই বার্তা হল, নিজের লালসা, কামনা চরিতার্থ করার সীমাহীন বাসনায় তার ভবিষ্যত্, কেরিয়ার নষ্ট হতে পারে, জীবনের পথে এগিয়ে চলার সুবর্ণ সময় হাতছাড়া হতে পারে। আদালত আরও বলেছে, ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে যৌবনের প্রারম্ভিক পর্বেই জীবনের ভিত তৈরি হয়। আগামী জীবনটা কেমন হবে, সেটা স্থির হয়ে যায়। বর্তমান মামলায় অভিযুক্ত ও ধর্ষিতা, উভয়ের ভবিষ্যত্ই ছেলেটির অপরাধের জন্য অন্ধকারের ছায়ায় ঢাকা পড়ে গিয়েছে।
তবে একইসঙ্গে অভিযুক্ত ছেলেটি নিজের কৃতকর্মের পরিণাম বুঝতে পেরেছে বলে উল্লেখ করে আদালত বলেছে, তাকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে নাবালিকা জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের আওতায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী। দোষী ছেলেটির কীর্তির জন্য মেয়েটির ভবিষ্যতে বিয়ে হতে সমস্যা হবে বলেও উল্লেখ করেছে পকসো কোর্ট। মেয়েটির পরবর্তী কালে বিয়ের কথাবার্তা চলছিল, কিন্তু তাঁর জীবনে ধর্ষণের মতো অভিশাপের ফলে সেই আলোচনাও ভেঙে গিয়েছে।